আমার এই টেস্ট টিভিতে দেখার কথা ছিলঃ সৌম্য

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে দলে থাকা সৌম্য সরকারকে হুট করেই টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ক্রিকেটারদের ইনজুরি সমস্যা এবং তিন নম্বরে সমাধান পেতেই টেস্ট সুযোগ পান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। হুট করে ভাগ্য পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গেও কথা বলতে শুরু করে সৌম্যর ব্যাট। হ্যামিল্টনে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম শতক হাঁকানোর পর সৌম্য জানিয়েছেন, ভাগ্য তাঁকে এখানে নিয়ে এসেছে, এই মুহূর্তে ডিপিএলে ব্যস্ত সময় কাটানোর কথা ছিল তাঁর। বরং বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার টেস্টটি টিভির পর্দায় দেখার কথা ছিল সৌম্যর।
জাতীয় দলের সঙ্গে না থাকলে চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার টি-টুয়েন্টি লীগ মাতাতে দেখা যেত সৌম্যকে। টিভির পর্দার বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট সিরিজ দেখার কথা থাকলেও এখন প্রথম টেস্টের বাংলাদেশের অন্যতম পারফর্মার তিনি।
রবিবার ৯৪ বলে টেস্ট শতক হাঁকানো ১৪৯ রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন। অনবদ্য ইনিংস খেললেও দলকে জেতাতে পারেন নি। ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলার আগে টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়ার সময় তাঁর মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল হ্যামিল্টনে নিজের প্রথম ওয়ানডে ফিফটির কথা। ডেইলি স্টারকে সৌম্য বলেন,

'উপরওয়ালা যা করেন, ভালোর জন্য করেন। হয়তো এখন আমার টেলিভিশনের সামনে বসে খেলার দেখার কথা ছিল, কারণ দলে না থাকলে ডিপিএল নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম।
'কিন্তু ভাগ্য আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে আর ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিও পেয়ে গিয়েছি। যখন সুযোগ পাই টেস্ট সিরিজের দলে তখন হ্যামিল্টনের মাঠে নিজের প্রথম ওয়ানডে অর্ধশতক হাঁকিয়েছিলাম।'
এদিকে এমন ধরণের ফিল্ডিংয়ে বিপক্ষে আগে কখনও খেলা হয় নি সৌম্যর। তিনি আশাও করেন নি টেস্টে এভাবে ফিল্ডিং সেট করে ব্যাটসম্যানকে আউট করতে চাইবে প্রতিপক্ষ।
'এমন ধরণের ফিল্ডিংয়ের বিপক্ষে আগে কখনও ব্যাট করিনি। আশাও করিনি যে এভাবে কেউ ফিল্ডিং সেট করবে। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম উইকেটের আরও গভিরে গিয়ে ব্যাট করার।
'সামনে থেকে না খেলে বাউন্স এবং পেসটাই কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। সফল হয়েছি শেষ পর্যন্ত।'