৫৮ ও ৭৮ এর পর ৮২

ছবি:

পুরো ত্রিদেশীয় সিরিজেই দারুণ দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টানা তিন ম্যাচ জিতে সিরিজের ফাইনালও নিশ্চিত করেছিলো তাঁরা। কিন্তু নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে এসেই ছন্দপতন হলো মাশরাফি বাহিনীর।
শ্রীলঙ্ক???র বিপক্ষে এই ম্যাচে খেলতে নেমে মাত্র ৮২ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ। এদিন যেন লঙ্কান ব্যাটসম্যানেরা পণ করেই নেমেছিলেন তামিম-সাকিবদের কোনো প্রকার সুযোগই দিবেন না।
আর সেই কারণেই কিনা মিরপুরের উইকেটকে রীতিমত মৃত্যুকুপে পরিণত করেন লাকমল, সান্দাকান, চামিরারা। লঙ্কান বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি আগের তিন ম্যাচে অর্ধশতক হাঁকানো তামিম ইকবাল।
সাকিব, রিয়াদ, সাব্বিরদের মতো ব্যাটসম্যানও ফিরে গেছেন দ্রুত। মুশফিকের ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ২৬ রান। বাদবাকি ব্যাটসম্যানদের স্কোর একেবারেই বলার মতো নয়।
আর ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে বাংলাদেশও একটি রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে। সেই রেকর্ডটি যে লজ্জার তা অবশ্য বলাই বাহুল্য। এখন পর্যন্ত মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর।

২০১১ সালের ৪ঠা মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৫৮ রানে অলআউট হয়েছিলো টাইগাররা। সেটাই এখন পর্যন্ত তাদের সর্বনিম্ন স্কোর। একই বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৮ রানে অলআউট হয়েছিলো টাইগাররা। এরপর ভারতের বিপক্ষে ২০১৪ সালের ১৭ই জুন আবারো ৫৮ রানে অলআউটের লজ্জায় পরে বাংলাদেশ।
মিরপুরে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন দলীয় স্কোরসমূহ-
১। ৫৮- প্রতিপক্ষঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০১১
২। ৫৮- প্রতিপক্ষঃ ভারত, ২০১৪
৩। ৭৮- প্রতিপক্ষঃ দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০১১
৪। ৮২-প্রতিপক্ষঃ শ্রীলঙ্কা, ২০১৮
৫। ৯১- প্রতিপক্ষঃ পাকিস্তান, ২০১১