নিষিদ্ধ ঘোষিত হলেন ইউসুফ পাঠান

ছবি:

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আগামী আসরে (১১তম আসর) খেলছেন না ভারতীয় স্পিন অলরাউন্ডার ইউসুফ পাঠান। তার কারণ, ডোপ টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত হওয়ায় সব ধরণের ক্রিকেট থেকে পাঁচ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাকে।
তবে ৩৫ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার জেনেশুনে পারফর্মেন্স ভালো করার জন্য কোনো ড্রাগ নেননি, বরঞ্চ নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ খেয়েই ভুলের মাসুল দিচ্ছেন তিনি। এক বিবৃতিতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়েছে,
"২০১৭ সালের ১৬ মার্চ ঘরোয়া টি-২০ প্রতিযোগিতা চলার সময় বিসিসিআই’র অ্যান্টি-ডোপিং টেস্টিং প্রোগ্রামের কাছে ইউরিন স্যাম্পল (প্রস্রাবের নমুনা) দিয়েছেন পাঠান।

"পরবর্তীতে তা পরীক্ষা করা হয় এবং টার্বুটালিনের (কাশির সিরাপ) অস্তিত্ব পাওয়া যায়। টার্বুটালিন একটি নির্দিষ্ট পদার্থ, যেটি প্রতিযোগিতার ভেতরে ও বাইরে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির নিষিদ্ধ ড্রাগের তালিকাভুক্ত।"
অবশ্য অভিযোগ আসার পরেই পাঠান নিজের যুক্তিসঙ্গত প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন বোর্ডের কাছে। তার চিকিৎসায় নির্ধারিত ঔষধের পরিবর্তে নিষিদ্ধ টার্বিটালিন দেওয়া হয়েছিল বলে আশ্বস্ত করেন বোর্ডকে। বোর্ডও তার কথায় বিশ্বাস করে।
তবে শাস্তির মাত্রা কমাতে পারলেও শাস্তি এড়ায়নি তার। বোর্ডের বিবৃতি অনুযায়ী, "বিসিসিআই পাঠানের যুক্তি মেনে নিয়েছে, পাঠান উচ্চ শ্বাসনালীর সংক্রমনের কারণে ভুলবশত নিষিদ্ধ টার্বিটালিন সেবন করেছেন। পারফরম্যান্স ভালো করার ড্রাগ হিসেবে নয়।
"সকল প্রমাণ ও বিশেষজ্ঞের বাইরের পরামর্শ নিয়ে বিসিসিআই পাঠানের ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছে। এর উপর ভিত্তি করেই তার ওপর পাঁচ মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।"
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের পর থেকেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে আছেন ভারতের জার্সিতে ৫৭টি ওয়ানডে ও ২২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা এই ক্রিকেটার। চলতি আইপিএলে তার দল কলকাতাও ছেড়ে দিয়েছে তাকে।
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ-গেটি ইমেজ