এবার আইপিএলেও অনিশ্চিত স্মিথ-ওয়ার্নার

ছবি:

সহজে মুক্তি মিলছে না স্টিভেন স্মিথের। বল টেম্পারিংয়ের মতো ন্যাক্কারজনক কান্ড ঘটানোর দায়ে এক টেস্টের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ার পর এবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) আসরেও তাঁর খেলা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এবারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে অধিনায়কত্ব করার কথা ছিলো স্মিথের। কিন্তু অধিনায়কত্ব তো বটেই, এবার দলটির হয়ে খেলাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে স্মিথের। এমনটাই আভাস পাওয়া গিয়েছে আইপিএলের চেয়ারম্যান রাজিব শুক্লার কথায়।
আগামী দুই একদিনের মধ্যে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে জানিয়ে শুক্লা বলেছেন, ‘খেলা ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এবং আমরা তার আগেই, আগামী দুই একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবে না। এটা আমাদের সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে আমরা আইসিসি ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় করবো।’

শুক্লার এই বক্তব্য আইসিসির শাস্তি ঘোষণার পূর্বের। এবার আইসিসি তাদের সিদ্ধান্ত জানানোয় হয়তো দুই একদিনের মধ্যে জানা যাবে স্মিথের বিষয়ে কি ভাবছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ। এদিকে স্মিথের বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার আভাস দিয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের প্রধান নির্বাহী রনজিত বারঠাকুরও।
তিনি বলেছেন, 'চলমান অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে বল টেম্পারিং বিতর্কের বিষয়ে আমরা সচেতন আছি এবং বিসিসিআইর পরবর্তী নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। ক্রিকেট বিরোধী কোন অন্যায্য আচরণকে রাজস্থান রয়্যালস সহ্য করবে না। আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি দলের সবার ক্ষেত্রে সমান।'
অবশ্য শুধু স্মিথই নন, কপাল পুড়তে পারে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারেরও। ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে তাঁকেও অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার চিন্তা ভাবনা করছে হায়দ্রাবাদ কর্তৃপক্ষ।
নিষেধাজ্ঞার মতো বড় শাস্তি না জুটলেও অধিনায়ক হিসেবে হয়তো আর দেখা যাবে না তাঁকে এবারের আইপিএলে। হাজার হোক স্মিথের ডেপুটি ছিলেন তিনি। সুতরাং টেম্পারিং ইস্যুতে তাঁরও তো মদদ আছে কিছুটা হলেও।