জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে ইসিবির ভাবনা

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে এবং সমান সংখ্যক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। সেই সিরিজ দুটির আগে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থাকা ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখবে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
করোনা ভাইরাস মহামারির কারনে স্থগিত হয়ে পরেছিল বিভিন্ন দেশের বেশ কয়েকটি সিরিজ। অবশেষে গত জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে আবারো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠে ফেরায় ইসিবি।

এছাড়াও ক্রিকেটারদের জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে আবদ্ধ রেখে আয়ারল্যান্ড,পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরো তিনটি সিরিজ আয়োজন করে তারা। করোনাকালে একইভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে হবে ক্রিকেটারদের।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মরগানের মতে লম্বা সময় জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকলে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন ক্রিকেটাররা। তাঁর শঙ্কার প্রেক্ষিতেই নড়েচড়ে বসেছে ইসিবি।খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে এবার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তারা।
জৈব সুরক্ষা বলয় সহজ করতে ক্রিকেটার ও পরিচালকদের রোটেশন পদ্ধতিতে পরিবর্ত?? আনা হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসিবি। এজন্য বিপক্ষ দলের সহযোগিতাও কামনা করেছেন বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালক অ্যাশলে জাইলস।
এ বিষয়ে স্কাই স্পোর্টসকে জাইলস বলেন, 'জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে দীর্ঘ সময় থাকা যে কোনো ক্রিকেটারের পক্ষেই বেশ কঠিন। এটি সকলের জন্য বেশ খারাপ পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে। জৈব সুরক্ষা বলয় সহজ করতে আমরা রোটেশন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে পারি। সেটা খেলোয়াড়রা অথবা পরিচালক উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে। কিন্তু এটার জন্য বিপক্ষ দলের সহযোগিতাও প্রয়োজন।'
আগামী মৌসুমে ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকটি সিরিজ রয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পারলে সিরিজগুলোতে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবেন ক্রিকেটাররা বলে বিশ্বাস জাইলসের।
সাবেক এই স্পিনার বলেন, 'মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার বিষয়ে আলোচনার এটাই সময়। আমরা যদি আগামী এক বছর মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে পারি তাহলে বিপক্ষ দলকে ভালো চ্যালেঞ্জ জানাতে পারি। সামনেই আমাদের অনেকগুলো সিরিজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই আমরা যথেষ্ট সচেতন। একই খেলোয়াড়কে আমরা সিরিজের পুরোটা সময় জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখতে রাজি নই।'