রাজ্য দলের হয়েও টেম্পারিং করতেন স্মিথ-ওয়ার্নার!

ছবি:

স্মিথ-ওয়ার্নার তাদের রাজ্য দল নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়েও বল টেম্পারিং করেছেন। এমন অভিযোগ তুলেছেন ম্যাচ রেফারি ও সাবেক আইসিসি এলিট প্যানেল ভুক্ত আম্পায়ার ড্যারেল হারপার।
২০১৬ সালে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে একটি ম্যাচের উদাহরণ টেনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কাছে বার্তা পাঠিয়েছেন তিনি। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি নিয়ন্ত্রন কমিটির প্রধান আরেক সাবেক আইসিসি এলিট প্যানেল আম্পায়ার সাইমন টোফেলকে জানিয়ে ইমেইল করেছেন হারপার।
২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে স্মিথ-ওয়ার্নার জুটি আম্পায়ারের নিষেধ উপেক্ষা করেই বল টেম্পারিং করার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।হারপারের মেইলে বলা আছে,

'যখন ডেভিড ওয়ার্নার ইচ্ছাকৃতভাবে বার বার নিউ সাউথ ওয়েলসের উইকেট কিপার পিটার নেভিল বরাবর বাউন্সে থ্রো করছিল, তখন আম্পায়াররা স্মিথের কাছে সততার সাথে খেলার আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু আম্পায়ারদের কথায় সাড়া দেয়নি স্মিথরা।
আমি পরের দিন সকালে আম্পায়ারদের নিয়ে নিউ সাউথ ওয়েলসের কোচ ট্রেন্ট জনসনের কাছে গিয়েছিলাম। জানিয়েছিলাম, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের অধিনায়কের নাম বল টেম্পারিং ইস্যুর সাথে জড়িত হোক, এমন কিছু চাইবে না।'
ঘরোয়া ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ক্রিকেটারদের এমন ভুল তখন চাপা পড়ে গেলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেটা লুকাইত রইল না। যার কারনে কঠিন শাস্তি পেতে হচ্ছে তাদের। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যে স্মিথ, ওয়ার্নার এবং ব্যানক্রফটকে লম্বা সময়ের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।