চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার দরজা খোলা রাখছেন ওয়ার্নার

ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
শর্ত পূরণ করে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ জিততে পারলে আরও অন্তত একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতেন ডেভিড ওয়ার্নার। সুপার এইট পেরিয়ে সেমিফাইনালে যেতে না পারায় ভারতের বিপক্ষে খেলা ম্যাচই ওয়ার্নারের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংস। কারণ বাংলাদেশের বিদায়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২০ ওভারের জার্সি তুলে রেখেছেন ওয়ার্নার।
কদিন আগে টি-টোয়েন্টি ছাড়লেও টেস্ট ছেড়েছেন চলতি বছরের জানুয়ারিতে, পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওয়ার্নারের শেষ ওয়ানডে হয়ে আছে গত বছর ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনাল। আহমেদাবাদে ভারতকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতা ম্যাচের পর ৫০ ওভারের ক্রিকেটে দেখা যায়নি তাকে। বাঁহাতি এই ওপেনারই নিশ্চিত করেছিলেন বিশ্বকাপের ফাইনালই তার শেষ ওয়ানডে ম্যাচ।

২০২৩ সালের নভেম্বরের পর থেকে ওয়ানডে না খেলা ওয়ার্নার তাতে তিন সংস্করণ থেকেই বিদায় বলে দিয়েছেন। যদিও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে পাকিস্তানের মাটিতে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য দরজা খোলা রাখছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সুযোগ পেলে অবসর ভেঙে ৮ দলের ৫০ ওভারের টুর্নামেন্টটি খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বাঁহাতি ওপেনার।
যদিও আপাতত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। নিজের ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক পোস্টের একটি অংশে ওয়ার্নার লিখেছেন, ‘আমি আপাতত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালিয়ে যাব। যদি দলে সুযোগ পাই, তবে (অস্ট্রেলিয়ান হয়ে) চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলতেও রাজি আছি।’
১১২ টেস্ট খেলা ওয়ার্নার ৪৪.৫০ গড়ে ৮ হাজার ৭৮৬ রান করেছেন। ২৬ সেঞ্চুরির সঙ্গে করেছেন ৩৭টি হাফ সেঞ্চুরিও। অস্টেলিয়ার হয়ে বাঁহাতি এই ওপেনার খেলেছেন ১৬১ ওয়ানডে। ২২ সেঞ্চুরি, ৩৩ হাফ সেঞ্চুরি এবং ৪৫.৩০ গড়ে ৬ হাজার ৯৩২ রান। টি-টোয়েন্টিতে ১১০ ম্যাচ খেলা ওয়ার্নার ১৪২.৪৭ স্ট্রাইক রেটে ৩ হাজার ২৭৭ রান করেছেন। ২৮ হাফ সেঞ্চুরির সঙ্গে একটা সেঞ্চুরিও আছে তার।
এত সবের বাইরে গিয়ে ওয়ার্নারের কাছে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরনীয় ব্যাপার তিন সংস্করণে একশর বেশি করে ম্যাচ খেলা। এমন কিছু অর্জন করতে যারা সহায়তা করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ দিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সি সাবেক এই ক্রিকেটার। ওয়ার্নার বলেন, ‘অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি! এত লম্বা সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার অবিশ্বাস্য এক অভিজ্ঞতা ছিল।’
‘অস্ট্রেলিয়া আমার জন্য স্বপ্ন ছিল। আমার ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ অংশটাই আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। এটা করতে পেরে আমি সম্মানিতবোধ করছি। তিন সংস্করণেই একশর বেশি ম্যাচ খেলা আমার সবচেয়ে স্মরণীয় ব্যাপার। যারা এটা অর্জন করতে আমাকে সহায়তা করেছে তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ।’