promotional_ad

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আরও কাছে সাউথ আফ্রিকা

promotional_ad

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||


হ্যারি ব্রুক ও লিয়াম লিভিংস্টোন জুটি গড়লেও শেষ ৬ ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৭৭ রান। এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে কাগিসো রাবাদার উপর চড়াও হন তারা দুজন। ইনিংসের ১৫তম ওভারে দুই চার ও এক ছক্কায় এনেছেন ১৮ রান। পরের ওভারে অ্যানরিখ নরকিয়ার বিপক্ষেও ১৩ রান করেছেন। ‍দুই ওভারে ৩১ রান তোলায় সমীকরণ সহজ হয়ে আসছিল। রাবাদা ও নরকিয়ার মতো ওটনিয়েল বার্টম্যানের উপরও তাণ্ডব চালিয়েছেন ব্রুক ও লিভিংস্টোন। তিন চার ও এক ছক্কায় ২১ রান তুলেছেন। ইংল্যান্ড যখন ম্যাচ জয়ের খুব কাছে তখন সাজঘরে ফেরেন লিভিংস্টোন।


রাবাদার ফুলটস ডেলিভারিতে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ট্রিস্টিয়ান স্টাবসের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১৭ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলা এই ব্যাটার। ৩৪ বলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করা ব্রুক ফিরেছেন শেষ ওভারে। ইংলিশদের যখন ৬ বলে ১৪ রান দরকার তখন এইডেন মার্করামের দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরেন ৫৩ রান করা ব্রুক। জয়ের সম্ভাবনা জাগালেও শেষ পর্যন্ত সাউথ আফ্রিকার কাছে ৭ রানে হারতে হয় তাদের। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আর কাছে চলে গেল প্রোটিয়ারা।



promotional_ad

সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে জয়ের ১৬৪ রান তাড়ায় শুরুতেই উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে সাউথ আফ্রিকাকে উইকেট এনে দেন কাগিসো রাবাদা। ডানহাতি এই পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে কভার দিয়ে খেলার চেষ্টা করেছিলেন ফিল সল্ট। ব্যাটে-বলে টাইমিংও করেছিলেন তবে কভারে থাকা রিজা হেনড্রিক্স বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ এক ক্যাচ লুফে নিলে ফিরতে হয় ইংলিশ ওপেনারকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করা সল্ট ফিরেছেন ১১ রানে।


চতুর্থ ওভারেও উইকেট হারাতে পারত ইংল্যান্ড। রাবাদার শর্ট ডেলিভারিতে জনি বেয়ারস্টো ক্যাচ তুলে দিলেও ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট থেকে দৌড়ে গিয়েও সেটা লুফে নিতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে অবশ্য আর কোন উইকেট হারায়নি ইংল্যান্ড। যার ফলে ৬ ওভারে এক উইকেট হারানো ইংলিশরা তোলে ৪১ রান। এদিকে জীবন পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি বেয়ারস্টোর। সপ্তম ওভারে কেশভ মহারাজের বিপক্ষে ক্যাচ দিয়েছেন অ্যানরিখ নরকিয়ার হাতে।


অনেকটা হতাশা থেকেই এমন শট খেলা বেয়ারস্টোকে ফিরতে হয় ২০ বের ১৬ রানে। জস বাটলারকেও ফিরিয়েছেন মহারাজ। বাঁহাতি এই স্পিনারের বলে শুরুতে রিভার্স সুইপ খেলতে চেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। তবে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলে স্লগ সুইপ করে তিনি। তাতে মিড উইকেটে থাকা হেনরিখ ক্লাসেনের হাতে ধরা পড়তে হয় তাকে। ছন্দে না থাকা বাটলারের ব্যাট থেকে এসেছে ১৭ রান। ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি মঈন আলীও।



ওটনিয়েল বার্টমানের শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে থাকা মহারাজের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৬১ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ইংল্যান্ডের হাল ধরেন ব্রুক ও লিভিংস্টোন। তারা দুজনে মিলে দ্রুত গতিতে রান তুলতে শুরু করেন। তারা দুজনে মিলে যোগ করেন ৭৮ রান। তবে তাদের এই জুটিও জেতাতে পারেননি ইংলিশদের, থামতে হয় ১৫৬ রানে। সাউথ আফ্রিকার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন রাবাদা ও মহারাজ।


এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তোলে সাউথ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রানের ইনিংস খেলেছেন কুইন্টন ডি কক। এ ছাড়া ডেভিড মিলার ৪৩ এবং হেনড্রিক্স খেলেছেন ১৯ রানের ইনিংস। ইংল্যান্ডের হয়ে ৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন জফরা আর্চার। একটি করে উইকেট শিকার করেছেন দুই স্পিনার মঈন ও আদিল রশিদ।



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball