বিশ্বকাপে ‘প্রি-সিডিং’ এর নিয়ম পছন্দ হয়নি স্টার্কের

ছবি:

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই সম্ভাব্য সেরা আটটি দলকে বাছাই করে সুপার এইটের প্রাথমিক সূচি তৈরি করে রেখেছিল আইসিসি। সেই অনুযায়ী আগেই জানা গেছে কোন দল সুপার এইটে গেলে কার কার বিপক্ষে খেলতে হতে পারে।
এখানে গ্রুপ সেরা বা গ্রুপ রানার্সআপের কোনো হিসেব নেই। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ভারতকে 'এ' ১, পাকিস্তান 'এ' ২, ইংল্যান্ড 'বি' ১, অস্ট্রেলিয়া 'বি' ২, নিউজিল্যান্ড 'সি' ১, ওয়েস্ট ইন্ডিজ 'সি' ২, সাউথ আফ্রিকা 'ডি' ১ ও শ্রীলঙ্কাকে 'ডি' ২ হিসেবে বিবেচনা করে সূচি সাজিয়ে ফেলেছিল আইসিসি।

সেই অনুযায়ী এক নম্বর গ্রুপে 'এ' ১, 'বি' ২, 'সি' ১ ও 'ডি' ২ এবং দুই নম্বর গ্রুপে 'এ' ২, 'বি' ১, 'সি' ২ ও 'ডি' ১ কে রাখা হয়। যদিও আইসিসির পরিকল্পনায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছে বেশ কয়েকটি দল। এর মধ্যে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ড গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়েছে। তবে তাদের জায়গায় যারা সুপার এইটে যাচ্ছে তাদের নামের পাশেই থাকবে সেই সিডিং নম্বর।
আইসিসির এমন নিয়মের সমালোচনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক। তারা স্কটল্যান্ডকে হারানোর পর স্টার্ক জানিয়েছেন তাদের এই পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কিছু খোলাসা করে না বললেও স্টার্করা যে এই পদ্ধতি খুব একটা পছন্দ করেননি সেটা বোঝা গেছে এই অজি পেসারের কথাতেই।
স্টার্ক বলেছেন, 'আমার মনে হয়, আগে থেকে জায়গা নির্ধারণ (প্রি-সিডিং) নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়। আমি এটার পক্ষে কিনা, নিশ্চিত নই।'
‘বি’ গ্রুপের সেরা দল হয়েই সুপার এইটে নাম লিখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাদেরকে আগে থেকেই 'বি' ১ হিসেবে ধরে রেখেছিল আইসিসি। ফলে আগে থেকেই জানা গেছে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকতে পারে ভারতকে। তারা 'এ' গ্রুপের সেরা হয়ে সুপার এইটে নাম লিখিয়েছে।
অন্যদিকে 'সি' গ্রুপে সবার উপরে রয়েছে আফগানিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডকে টপকে তারাই আছে সবার উপরে। যদিও দ্বিতীয় দল হিসেবে এই গ্রুপ থেকে সুপার এইটে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সুপার এইটে খেলবে আফগানরাও। ফলে একই গ্রুপে তিন গ্রুপের সেরা দলের দেখা হচ্ছে। মূলত এ কারণেই এই নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।