যেখানে থেমেছিলেন সেখান থেকেই শুরু করতে চান লিটন

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||
গেল বছরের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মধ্য দিয়ে ফর্মে ফেরা লিটন দাসের। রাজশাহী রয়্যালসের জার্সি গায়ে চাপিয়ে ১৫ ম্যাচে ৩টি অর্ধশতকের ইনিংস খেলে ৩২.৫৫ গড়ে করেছিলেন ৪৫৫ রান। ছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর দৌড়েও।
দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তান সফরে জ্বলে উঠতে না পারলেও ঠিকই নিজেকে চেনান জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে খেলেন অতিমানবীয় ১৭৬ রানের ইনিংস। পুরো সিরিজজুড়েই হাসতে দেখা গিয়েছিল তার ব্যাটকে। দুটি টি-টোয়েন্টিতে দুটি ফিফটি হাকিয়ে তুলেছিলেন ১১৯ রান।
এরপর প্রথম ওয়ানডেতে ১২৬ (অপরাজিত), দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৯ এবং তৃতীয় এবং শেষ ওয়ানডেতে সেই অতিমানবীয় ১৭৬ রানের ইনিংস খেলে জানান দেন নিজের নতুন আবির্ভাবের। চলছিল বেশ ভালোই। কিন্তু করোনার প্রভাবে হুট করেই দেশের সকল ক্রিকেটীয় ইভেন্ট বন্ধ হয়ে যায়। লম্বা সময়ের জন্য গৃহবন্দী হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা।

ব্যতিক্রম হয়নি লিটন দাসের সঙ্গেও। লম্বা সময় গৃহবন্দী থেকে ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার ফলে মানসিক চাপে পড়েছিলেন এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।
সম্প্রতি ফের মাঠে ফিরেছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। শ্রীলংকা সফরকে সামনে রেখে শুরু করেছেন অনুশীলন। দীর্ঘ সময় পর ক্রিকেটে ফিরে অনুশীলন করার পর নিজেকে কিছুটা ব্যাকফুটেই রাখছেন ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনার।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানান লিটন।
'একটা বিরতির কারণে হয়তোবা আমি ব্যাকফুটে আছি। শ??দু আমি না বোলার বলেন ব্যাটসম্যান বলেন যারা একাদশে থাকবে সবাই ব্যাকফুটে থাকবে কারণ অনেকদিনের একটা বিরতি। আমার মনে হয় যে আগের যে সিরিজটা খেলেছি সেখানে একতা আত্মবিশ্বাস আছে। কিন্তু ওভার কনফিডেন্স নেই আমার। কারণ প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, আউট হওয়ার জন্য একটা বলই যথেষ্ট যেটা আমি বিশ্বাস করি।'
সেই সঙ্গে করোনা বিরতির আগে হওয়া জিম্বাবুয়ে সিরিজের পারফরম্যান্স শ্রীলংকা সফরের জন্য আত্মবিশ্বাস জাগাচ্ছে লিটনকে। বিরতি কাটিয়ে ফেরা ক্রিকেটকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে ভালো কিছু করতে চান এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।
'প্রতিটি বলই ফোকাস দিয়ে খেলতে হয়। আমি চেষ্টা করতেছি এখানে অনুশীলনে যেন ঐ মনযোগটা নিয়ে আসতে পারি। আগের সিরিজটা যে মনোযোগ দিয়ে শেষ করেছি এই মনোযোগটা যেন মাঠে আবার ফিরিয়ে আনতে পারি। আমার মনে হয় মনোযোগ ও নিজের চ্যালেঞ্জটা যদি আবার নিতে পারি যে আমাকে ভালো কিছু করতে হবে তাহলে মনে হয় সম্ভব ভালো কিছু করা।'