দেশের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্বাক্ষী হলেন আমিনুল

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||
করোনাকালে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা আগে থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ। সাধারণ জনগণের কাছ থেকে শুরু থেকেই আসছিল অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি না নেয়ার অভিযোগ। জ্বর, শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের ঘুরতে হয় হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে। মিলে না তাদের যথাযথ চিকিৎসা। এমনকি অনেক রোগীদের ক্ষেত্রে মিলে না হাসপাতালের একটি বেড।
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এমন বেহাল দশায় এবারে পড়তে হল জাতীয় দলের তরুণ লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর বাবা আবদুল কুদ্দুস ভুগছিলেন শ্বাসকষ্টে। কয়েকদিন ধরে ঢাকার বেশ কিছু হাসপাতালে ঘুরেও কোথাও ভর্তি করাতে পারেননি তাঁর বাবাকে।

অবশেষে বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালের সহায়তায় আমিনুল তাঁর বাবাকে ভর্তি করিয়েছেন মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আমিনুল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিপ্লব বলেন, 'আব্বুর সমস্যাটা শ্বাসকষ্ট থেকে। অনেক আগে থেকেই সমস্যাটা ছিল কিন্তু গত কয়েকদিন বেশি সমস্যা করছিল। খারাপ অবস্থা হয়ে গিয়েছিল। আমরা অনেকগুলো হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছি। কিন্তু কেউ ভর্তি নিচ্ছিল না। পরে শ্যামলীতে সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ নামে একটা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কিছু টেস্ট করতে দেয়। রিপোর্ট দেখে ওনারা বলেন হার্টের সমস্যা থেকে এটা হচ্ছে, তাই ওনারা পরামর্শ দিল হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু ওখানে গিয়ে জটিলতার মধ্যে পড়ে যাই। এটা করতে বলে, ওটা করতে বলে।'
'কি করব বুঝতে না পেরে তামিম ভাই (তামিম ইকবাল) ও অপারেশন্স ম্যানেজার সাব্বির ভাইকে ফোন দিই। পরে তামিম ভাই ওনাদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর আব্বুকে তারা ভর্তি করায়। গতকাল রাতে ভর্তি নিয়েছে।'
আমিনুল আরও জানান, তাঁর বাবা বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন। যদিও এখনও করোনা টেস্ট করানো হয়নি। করোনা পরীক্ষার পর বেড বা কেবিনে স্থানান্তর করা হবে তাঁর বাবাকে।
এ প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, 'এখানে ভর্তির পরে রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা দিচ্ছে। এখানে আব্বুকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। কেননা এখানে করোনা পজিটিভ ও নেগেটিভ রোগী আছে। এখনও আব্বুর কোভিড-১৯ টেস্ট করানো হয়নি। টেস্ট শেষে রেজাল্ট পেলে বেড বা ক্যাবিনে দেবে।'