স্পনসর পেতে শচীনের সুপারিশ পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||
শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। ভারতের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার ব্যাটিং ঈশ্বর হিসেবেই বেশি পরিচিত। ২৪ বছরের ক্যারিয়ারে এই ক্রিকেট ঈশ্বরের রয়েছে অগণিত রেকর্ড। ২২ গজে বোলারদের কাছে তাঁর মারকুটে রূপ দেখা গেলেও পুরো উল্টো চিত্র ২২ গজের বাহিরে। দয়া মানবতা উদারতায় ভরপুর এক সত্ত্বা। যার প্রমাণ পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
একজন ক্রিকেটারের স্পনসর জিনিসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর বাংলাদেশের মতো স্বল্প আয়ের দেশের ক্রিকেটারদের জন্য সেটা বিশাল ব্যাপার। উঠতি ক্রিকেটারদের জন্য এই স্পনসর যোগাড় করা বেশ কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটাই মাহমুদউল্লাহর জন্য সহজ করে দিয়েছিলেন শচীন।

২০০৭ সালে অভিষিক্ত রিয়াদকে স্পনসর করতে বিখ্যাত কোম্পানি অ্যাডিডাসের কাছে সুপারিশ পৌঁছেছিল। এর পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছিলেন টেন্ডুলকার। সম্প্রতি ক্রিকফ্রেঞ্জিকে দেয়া এক লাইভ সাক্ষাৎকারে মাহমুদউল্লাহ এই কথা জানান।
রিয়াদ বলেন, 'উনার সাথে খেলেছি ২০০৮ সালে। হোম সিরিজ ছিল আমাদের। আমার অভিষেক হয়েছিল ২০০৭ সালের জুলাইয়ে। ঐ সিরিজটাতে আমি মোটামুটি ভালোই করেছিলাম। একদিন আমি অনুশীলন থেকে বাসায় ফিরছিলাম। তখন গাড়িতে একজন আমাকে ফোন দেয়। তখন অ্যাডিডাসের স্পন্সর ছিল সম্ভবত শচীন স্যার। যেহেতু আমি তরুণ ক্রিকেটার, তখন আমার কোনো স্পন্সর ছিলো না। উনি আমাকে বললেন যে শচীন স্যার রেকমেন্ড করেছে আপনাকে স্পন্সরের জন্য।'
একই সঙ্গে জাতীয় দলের এই টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শচীনের কাছে। রিয়াদ মনে করেন, স্পনসরশীপের জন্য শচীনের সুপারিশ তাঁর জন্য অনেক বড় একটি অর্জন।
মাহমুদউল্লাহ বলেন, 'আমি বুঝতে পারছিলাম না কি বলবো। তখন আমি তাকে ধন্যবাদ দেই। হয়তো সামনাসামনি কখনো বলা হয়নি। উনার খেলা দেখে বড় হয়েছি, উনার সঙ্গে খেলতে পারা সৌভাগ্য বলতে হয়। উনার কাছ থেকে এতো ব??? কমপ্লিমেন্ট এবং সাজেশন পাওয়া অনেক বড় অর্জন। উনাকে সত্যি অনেক ধন্যবাদ।'