টেস্ট ম্যাচ পরিচালনা করতে প্রস্তুত দেশি আম্পায়াররা

ছবি: ছবিঃ- আইসিসি

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ক্রিকেট কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, করোনা কালের পর খেলা শুরু হলে, ভ্রমণ বিধি-নিষেধের কারণে টেস্ট ম্যাচে নিরপেক্ষ আম্পায়ারের বদলে স্থানীয় আম্পায়াররা ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে অবশ্য এলিট প্যানেলের আম্পায়ারদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।
তবে যে সকল দেশে এখনও কোনও এলিট প্যানেলের আম্পায়ার নেই, সেখানে আন্তর্জাতিক প্যানেলের আম্পায়ার নিয়োগ করা হবে।
আইসিসির ১২ সদস্যের আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলে বাংলাদেশি কোনও আম্পায়ার নেই। এমনকি আইসিসির ইমার্জিং আম্পায়ারদের তালিকায়ও নেই কোনও বাংলাদেশির নাম।

যদিও আন্তর্জাতিক প্যানেলে আছেন মাসুদুর রহমান মুকুল, তানবীর আহমেদ, শরফউদ্দৌলা সৈকত ও গাজী সোহেলরা। আইসিসি ক্রিকেট প্যানেলের সুপারিশে জুনে যদি এই নিয়ম পাশ করে আইসিসি, তাহলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্যানেলের চার আম্পায়ারের সুযোগ হবে দেশের মাটিতে টেস্ট ম্যাচে দায়িত্ব পালনের। এমনটা হলে দারুণ হবে, মানছেন দেশি আম্পায়াররা।
মাসুদুর রহমান ক্রিকবাজকে বলেন, 'এরকম কোনও সুযোগ যদি আসে, তাহলে আমাদের আম্পায়ারদের জন্য দারুণ হবে। টেস্ট ক্রিকেটে তারা তাদের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবে।'
বিসিবিতে কর্মরত আম্পায়াদের কোচ এনামুল এই ব্যাপারে বলেন, 'আমাদের আম্পায়াররা যখন আইসিসির আসরে যায়, তখন তাদের পারফরম্যান্সের ওপর নম্বর দেয়া হয়। তারা যদি ভালো করে তাহলে তাদের ইমার্জিং প্যানেলে যাওয়ার সুযোগ থাকে। এতে করে আমাদের আম্পায়ারদের উন্নতির সুযোগ তৈরি হলো।
শ্রীলঙ্কাতেও এমন অবস্থা। তারা চাইলেই আরেকজন কুমার ধর্মসেনা বানিয়ে ফেলতে পারে। তারা ধর্মসেনাকে সেভাবে সহায়তা করে। আমাদেরও নিজেদের আম্পায়ারকে সহযোগিতা করা উচিৎ।'
এখন পর্যন্ত চার বাংলাদেশি আম্পায়ার মোট পাঁচটি টেস্ট ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০১২ সালে নেপিয়ারে নিরপেক্ষ আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এনামুল হক মনি। জিম্বাবুয়ে ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তিনি।