promotional_ad

গোলাপি বলের ক্রিকেট টেস্টের ভবিষ্যৎ নয়ঃ কোহলি

ছবি- সংগৃহীত
promotional_ad

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||


ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলির বিশ্বাস, গোলাপি বলের ক্রিকেট টেস্টের ভবিষ্যৎ হতে পারে না। তাঁর মতে, টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখার একমাত্র সমাধান দিবা-রাত্রির ম্যাচ নয়।


জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে টেস্ট ক্রিকেট, ধ্বংসের পথে টেস্ট ক্রিকেট! এমন মন্তব্যগুলো গত কয়েক বছর ধরে ক্রিকেট বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে টেস্ট ক্রিকেটে রোমাঞ্চ আনতে গোলাপি বলের ম্যাচ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট সংস্থাগুলো। বাণিজ্যিক দিক থেকেও টেস্ট ক্রিকেটের এই ফরম্যাটকে কার্যকর ভাবছে তারা।


দর্শকদের আগ্রহ বাড়াতে ফ্লাড লাইটের আলোর নিচে লাল বলের পরিবর্তে গোলাপি বলের টেস্টের নিয়ম ২০১২ সালে কার্যকর হলেও ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়ায়। টেস্ট খেলুড়ে সব দলই ইতোমধ্যে দিবা-রাত্রির টেস্টের স্বাদ নিয়েছে। কিন্তু র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর দল ভারত এখনো গোলাপি বলের টেস্ট খেলেনি। ২০১৯ সালের শুরুতে অস্ট্রেলিয়া সফরে গোলাপি বলের টেস্ট খেলার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয় বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই)। এবার বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের বিপক্ষে দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলতে যাচ্ছে ভারত।



promotional_ad

ভারতের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের টুর্নামেন্ট দুলিপ ট্রফির তিনটি আসরে গোলাপি বলে খেলা হয়েছিল। কিন্তু এবার সেটা পরিবর্তন করে আবারো লাল বলে নিয়ে আসা হয়েছে। ভারতীয় কন্ডিশনে দিবা-রাত্রির ম্যাচে বল সহজেই মান হারায় বিধায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঘরোয়া ক্রিকেট গোলাপি বলের ম্যাচ বন্ধ হলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আয়োজন করতে যাচ্ছে ভারত।


সামনে ক্রিকেটের অনেক বড় একটি অংশ হবে গোলাপি বলের টেস্ট, মানছেন ভারতের অধিনায়ক কোহলিও। কিন্তু শুধুমাত্র দর্শকের বিনোদনের জন্য টেস্ট ক্রিকেটের ধরন পরিবর্তন করার পক্ষে নন তিনি।


বাংলাদেশের বিপক্ষে গোলাপি বলের টেস্টের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে কোহলি বলেন, ‘আমি মনে করি না (গোলাপি বলের ক্রিকেট টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ)। টেস্ট ক্রিকেট খেলার একমাত্র উপায় এটা হওয়া উচিত নয় কারণ আপনি তখনই সকালের প্রথম সেশনের স্নায়ুচাপের ব্যাপারটি হারিয়ে ফেলবেন। হ্যাঁ, আপনি টেস্ট ক্রিকেটে রোমাঞ্চ আনতেই পারেন কিন্তু শুধুমাত্র মানুষের বিনোদনের ওপর ভিত্তি করে টেস্ট ক্রিকেট হতে পারে না। টেস্ট ক্রিকেটের বিনোদন ওই জায়গায় যখন ব্যাটসম্যান একটি সেশন টিকে থাকার জন্য লড়াই করে এবং বোলাররা ব্যাটসম্যানকে আউট করার জন্য মরিয়া থাকে। যদি মানুষ এতে সাড়া না দেয় তাহলে এটা খুবই খারাপ। যে সম্মতি জানাতে চায় সে মাঠে আসবে এবং টেস্ট ক্রিকেট দেখবে।‘


‘আমি যদি টেস্ট ক্রিকেট পছন্দ না করি, আপনি আমাকে জোর করে টেস্ট ক্রিকেট পছন্দ করাতে পারবেন না। যদি কেউ ব্যাট-বল লড়াই এবং টেস্ট ক্রিকেটের হাড্ডাহাড্ডি সেশন দেখে রোমাঞ্চিত হয়, আমার মতে তাদেরই মাঠে আসা উচিত এবং টেস্ট ক্রিকেট দেখা উচিত। কারণ তারা বুঝে কী হচ্ছে।' যোগ করেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান।



২২ নভেম্বর ক্রিকেটের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো দুই দলই খেলতে যাচ্ছে দিবা-রাত্রির টেস্ট। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশ সময় বেলা ১টায় শুরু হবে ম্যাচটি।



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball