আইসিসিকে কটাক্ষ করলেন নিশাম

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
সুপার ওভারের পরিবর্তিত নিয়ম নিয়ে উপহাস করেছেন নিউজিল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার জিমি নিশাম। তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন দলটির সাবেক ব্যাটিং কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলানও।
সম্প্রতি সুপার ওভারের নিয়মে পরিবর্তন এনেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। নতুন নিয়ম অনুসারে আইসিসির যেকোনো ইভেন্টের ফাইনাল কিংবা সেমিফাইনাল টাই হলে ফলাফল না আসা পর্যন্ত সুপার ওভার খেলতে হবে দুই দলকে। সেক্ষেত্রে বাউন্ডারির হিসাবে জয়ী দল নির্ধারণের আগের নিয়মটি থাকছে না।
ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে পর এই নিয়মে পরিবর্তন আনায় বেশ হতাশ হয়েছেন নিশাম ও ম্যাকমিলান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক বার্তায় টাইটানিক জাহাজের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। কটাক্ষ করে নিশাম লিখেছেন, 'পরবর্তী অ্যাজেন্ডাঃ টাইটানিকের জন্য বরফের খন্ড খুঁজে বের করতে ভালো বাইনোকুলারের সন্ধান।'

কিউইদের সাবেক অলরাউন্ডার ম্যাকমিলানের মতে পরিবর্তন আনতে বেশ দেরিই করে ফেলেছে আইসিসি। টুইট বার্তায় তিনি লিখেন, 'কিছুটা দেরি হয়ে গেল আইসিসি।'
এরপর তিনি আরো লিখেন, 'অন্যান্য নিয়ম ঠিক করার ব্যাপারে কি করবে আইসিসি......একটি ডেড বল যদি ব্যাটসম্যান হিট করে বসে??'
গত ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ফাইনালে এই সুপার ওভার জন্ম দিয়েছিল অনেক নাটকের। ফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের জন্য ২৪২ রান প্রয়োজন ছিল নিউজিল্যান্ডের। এই লক্ষ্যে খেলতে নামার পর ২৪১ রানে থামে কিউইদের ইনিংস।
ফলে টাই হয় ম্যাচটি। এরপর সুপার ওভারে ইংল্যান্ডের ১৫ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ডও একই রান করে??? ফলে পুরনো নিয়ম অনুযায়ী বাউন্ডারি সংখ্যা বিবেচনায় জয়ী ঘোষণা করা হয় ইংল্যান্ডকে।
এবার নানা সমালোচনার মুখে সেই নিয়মে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বিগ ব্যাশের নিয়ম অনুসরণ করেছে তারা। বিশ্বকাপের পর ফাইনালের নিয়মে পরিবর্তন আনে বিগ ব্যাশ কর্তৃপক্ষ। সেই পথই অনুসরণ করছে আইসিসি।