promotional_ad

মাথা উঁচু রেখে চিটাগংয়ের বিদায়

ছবিঃ সংগৃহীত
promotional_ad

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||


বিপিএলের ষষ্ঠ আসর মাঠে নামার আগে দল হিসেবে তেমন ফেভারিট ছিল না চিটাগং ভাইকিংস। দলে ছিল না কোন বিদেশি তারকা, অভাব ছিল বিগ হিটারের। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরু থেকে এই গড়পড়তা দল নিয়ে অসাধারণ খেলে সেরা চার নিশ্চিত করেছে চিটাগং। যদিও শেষ পর্যন্ত এলিমিনেটর ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ছয় উইকেটে পরাজিত হতে হয়েছে তাদেরকে। তবে সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে মাথা উঁচু রেখে খেলেছে তারা এবং বিদায়ও নিয়েছে মাথা উঁচু রেখে।


প্রথমে ব্যাটিং করে লড়াই করার পুঁজি বোলারদের দিতে পারেননি ভাইকিংস দলের ব্যাটসম্যানরা। ১৩৬ রানের স্বল্প লক্ষ্যে উপুল থারাঙ্গার অর্ধশতকে খুব সহজে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় শক্তিশালী ঢাকা। ১৭তম ওভারেই দলের জয় নিশ্চিত করেন উইকেটে থাকা দুই ব্যাটসম্যান কাইরন পোলার্ড এবং নুরুল হাসান সোহান।


লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ শুরু করেন ঢাকার দুই ওপেনার সুনীল নারিন এবং উপুল থারাঙ্গা। নারিনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৪৪ রানের জুটি গড়েন দুইজনে, যেখানে ১৬ বলে ৩১ রান ছিল নারিনের। ভাইকিংস পেসার খালেদ আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছিলেন নারিন।


এরপর রনি তালুকদারকে নিয়ে দারুণ জুটি গড়েন থারাঙ্গা। তাঁদের জুটি থেকে আসে আরও ৪৪ রান। ১৩ বলে ২০ রানে সেই খালেদের বলে লেগ বিফোর হয়ে ফিরেন রনি। পরের বলেই পয়েন্টে থাকা ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফিরেন দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এরপর নুরুল হাসানের সাথে ছোট একটি জুটি গড়ে নিজের অর্ধশতক হাঁকিয়ে স্পিনার নাঈম হাসানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাঁহাতি ওপেনার থারাঙ্গা। ৪৩ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।


শেষ পর্যন্ত নুরুল হাসান সোহান এবং কাইরন পোলার্ডের জুটিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা। ২০ রানে সোহান এবং সাত রানে অপরাজিত ছিলেন পোলার্ড।


এর আগে সাকিব আল হাসানের অধিনায়কত্ব এবং সুনীল নারিনের অসাধারণ বোলিংয়ে চিটাগং ভাইকিংসকে সল্প রানেই আটকে দিয়েছিল ঢাকা ডায়নামাইটস। নির্ধারিত বিশ ওভার শেষে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেছিল ভাইকিংস।



promotional_ad

টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ভাইকিংস শুরুতে ভালো অবস্থানে ছিল। দলীয় ২২ রানে ওপেনার ইয়াসির আলিকে হারালেও ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন আরেক ওপেনার ক্যামেরন  ডেলপোর্ট। তিনে নামা ব্যাটসম্যান সাদমান ইসলামকে নিয়ে রান বাড়াচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নিজেদের ভুলে রান আউট হয়ে ফিরে যান ২৭ বলে ৩৭ রান করা বাঁহাতি ওপেনার ডেলপোর্ট।


এরপর শুরু হয় বিধ্বংসী সুনীল নারিনের স্পিন ঝলক। ভাইকিংসের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে ইনসাইড এজে বোল্ড করে মাত্র আট রানে ফিরিয়ে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। তাঁর বিদায়ের পর ফিরে যান ২৪ রান করা সাদমানও।


দলের হাল ধরার চেষ্টায় ব্যাট হাতে দায়িত্ব নেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। কিন্তু তাঁকে কেউই সঙ্গ দিতে পারেননি। শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার দাশুন শানাকা বিদায় নিয়েছেন মাত্র সাত রানে, তরুণ পেসার কাজি অনিকের বলে।


নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেছিলেন চিটাগংয়ের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার রবি ফ্রাইলিঙ্ক। কিন্তু তাঁকে বেশীক্ষণ টিকতে দেননি সাকিব-নারিন। ফ্রাইলিঙ্কের বিপক্ষে স্লিপ, লেগ স্লিপ এবং শর্টে ফিল্ডার রেখে নারিনকে বোলিং দেন সাকিব। লং অন এবং লং অফের ফিল্ডার রাখা ছিল বাউন্ডারি লাইনে। ফ্রাইলিঙ্ককে ঘিরে থাকা ফিল্ডারদের সরাতে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু সফল হয়েছেন সাকিব, উড়িয়ে মারতে গিয়ে লন অনে থাকা ফিল্ডার শুভাগত হোমের হাতে ধরা পড়েন এক রান করা ফ্রাইলিঙ্ক।


একই পরিকল্পনায় লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন নতুন ব্যাটসম্যান হার্দুস ভিজয়েনও। এরপর নির্ধারিত বিশ খেলে আট উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় চিটাগং। ৪০ রানে অপরাজিত ছিলেন মোসাদ্দেক।


মাত্র ১৫ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন নারিন। ব্যাট হাতে দারুণ ৩১ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন নারিন।


সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ



চিটাগং ভাইকিংসঃ ১৩৫/৮ (২০ ওভার)


(মোসাদ্দেক ৪০*, ডেলপোর্ট ৩৬; নারিন ২/১৫)


ঢাকা ডায়নামাইটসঃ ১৩৬/৪ (১৬.৪ ওভার)


(থারাঙ্গা ৫১, নারিন ৩১; খালেদ ৩/২০)



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball