মাশরাফির চাই ৩০০ রান

ছবি: মাশরাফি বিন মর্তুজা

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেস্পন্ডেন্ট ||
ব্যক্তিগত বড় ইনিংস আসছে, কিন্তু দলের স্কোর তিনশ ছাড়াচ্ছে না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর এশিয়া কাপের সাফল্য ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ব্যাটসম্যানদের বড় ইনিংস। কিন্তু তবুও দলীয় স্কোর ধারাবাহিক ভাবে তিনশ ছাড়ায় নি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও এশিয়া কাপে কঠিন উইকেটের অজুহাত কাজে দিলেও ঘরের মাঠে দুর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানের বড় সেঞ্চুরির পরও তিনশ রান না হওয়াকে সহজে নিচ্ছেন না অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকার মাঠে বাংলাদেশ দল ইমরুল কায়েসের ১৪৪ রানের স্মরণীয় ইনিংসের পরও স্কোর বোর্ডে ২৭২ রান তুলতে সক্ষম হয়। শেষের দিকে জিম্বাবুয়ের বোলারদের বেধরক পিটিয়ে ওভার প্রতি দশের ওপর রান তুলেছে বাংলাদেশ।

কিন্তু মিডেল ওভারে জোড়ায় জোড়ায় উইকেট হারিয়ে তিনশ করার সুযোগ হাতছাড়া করেছে স্বাগতিকরা। মাশরাফির চিন্তার জায়গা ওই মিডেল ওভারের ব্যাটিং। উইকেট আগলে রাখায় ব্যর্থ বাংলাদেশ দল ২০১৮ সালে মাত্র দুইবার তিনশ রান স্পর্শ করেছে। দুই ম্যাচেই টপ অর্ডারে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান বড় জুটি গড়েছিল।
'একজন একশ করার পরও রানটা তিনশ হচ্ছে না। টপ অর্ডারে একজন একশ করলে কিন্তু রান তিনশ হওয়া স্বাভাবিক। এই জায়গা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। যে একশ করছে তাকে যে অন্য কেউ সাহায্য করছে না, তার একশ এতো পরে গিয়ে হচ্ছে যে রানটা আর বড় হচ্ছে না। এই অ্যাডজাস্টমেন্টটা এখন হচ্ছে না,' জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের বলেছেন মাশরাফি।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের কথাই ধরা যাক, বাংলাদেশ দল ২৮তম ওভারে দলীয় ১৩৪ রানে উইকেটে জমে যাওয়া মোহাম্মদ মিথুনের উইকেট হারিয়ে বসে। একই আরেক আরেক নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে হারায় বাংলাদেশ।
মেহেদি হাসান মিরাজেও উইকেটে বেশীক্ষণ টিকতে দেয় নি জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে বাংলাদেশ দলের ইনিংসকে নতুন করে সঠিক পথে ফেরানোর কঠিন কাজটি করতে হয়েছে উইকেট থিতু ইমরুলকে, যাতে রানের গতি কমিয়ে ফেলতে বাধ্য হয় বাংলাদেশের। মাশরাফির ভাষায়,
'২৭০ থেকেও প্রথম ম্যাচে আশা করেছি। মিরপুরের উইকেট শুরুতে আনইভেন ছিল। কিন্তু একটা জুটির পর মিঠুন ইমরুল যেভাবে ব্যাটিং করছিল ওখান থেকে আরামসে তিনশ এবং ৩১০-৩১৫ পসিবল ছিল। কিন্তু আরেক পাশ থেকে যদি দেখেন সেটাও খুব ভালো হয়েছে।'