মইন আলির ভয়

ছবি:

টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখতে আইসিসির উদ্যোগের কমতি নেই। কিন্তু কোন কিছুই টেস্ট ম্যাচে দর্শক টানতে পারছে না। দিবারাত্রির টেস্ট থেকে শুরু করে চারদিনের টেস্টও নেমে এসেছে ক্রিকেট কর্তারা।
কিন্তু কাজ হচ্ছে না। ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরনো দ্বৈরথ অ্যাশেজের জনপ্রিয়তায় নাকি ভাটা পড়েছে। ইংলিশ অলরাউন্ডার মইন আলি গত অ্যাশেজে দর্শকদের উপস্থিতি ও টেস্টের অনাগ্রহে টেস্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় পাচ্ছেন।
'হ্যা, আমার ভয় হচ্ছে। অ্যাশেজের সময় আমার এমন মনে হয়েছে। দর্শকদের অনেক হতাশ মনে হয়েছে। কিছুদিন ভালো দর্শক এসেছে কিন্তু অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ জেতার পরও তেমন আনন্দ উল্লাস হয় নি। তখন আমার মনে হয়েছে, 'আমরা টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে কিছুটা ধুঁকছি।'

'এটাই চিন্তার বিষয়, আমার মতে টেস্ট ক্রিকেটটাই আসল। এখানে সেরা ক্রিকেটাররা খেলে এবং দর্শক হিসেবে আপনি সম্ভাব্য সেরা ক্রিকেটটা দেখতে পাবেন। তবে টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক কথাই হচ্ছিলো কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ সিরিজ আমার চোখ খুলে দিয়েছে।'
তবে অন্যসব টেস্ট খেলুড়ে দেশে পাঁচ দিনের ক্রিকেট দর্শক টানতে ব্যর্থ হলেও ইংল্যান্ড এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের মাঠ দর্শকে ভরপুর থাকে। যার কারনে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন মইন আলি।
তার ভাষায়, 'আমাদের ভাগ্য ভালো, ইংল্যান্ডে সব সময় মাঠ ভর্তি দর্শক থাকে। টেস্ট ক্রিকেটের সেরা দর্শকরা আমাদের এখানে। এই দিক থেকে আমাদের ভাগ্য ভালো বলতেই হয়।'