বাঙালীরা বুদ্ধিমান এবং সাহসী: শোয়েব

ছবি: ছবি- সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
বাঙালীদের সাহসী জাতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তী পেসার শোয়েব আখতার। সাবেক এই গতি তারকার মতে বাঙালীরা যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং চৌকস। এক্ষেত্রে ভারতের অন্যতম সেরা অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির উদাহরণ টেনেছেন তিনি।
গাঙ্গুলী অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে ভারত। এর পরের বছর তাঁর অধীনে বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয় দেশটি। অধিনায়ক হিসেবে সাফল্যের পারদটাও অনেক উঁচুতে গাঙ্গুলির। তাঁর অধীনে ১৪৬টি ওয়ানডে খেলে ৭৬টিতে জয় পেয়েছে ভারত।
২০০৪ সালে ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মাঠে নামে পাকিস্তান। সেসময় ভারতের অধিনায়ক ছিলেন সৌরভ এবং পাকিস্তানের নেতৃত্বে ছিলেন ইনজামাম উল হক। গাঙ্গুলির ভারতের কাছে সেবার টেস্ট সিরিজে ২-১ পরাজিত হয় পাকিস্তান।

এরপর ওয়ানডেতে সিরিজেও ৩-২ ব্যবধানে হারতে হয় তাদের। সেবার খুব কাছ থেকেই গাঙ্গুলির নেতৃত্ব দেখেছেন শোয়েব। গাঙ্গুলিকে দিয়েই বাঙালী জাতির দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের দেখা সবচাইতে সাহসী ওপেনার হিসেবেও গাঙ্গুলিকে আখ্যা দিয়েছেন রাওয়ালপিণ্ডি এক্সপ্রেস।
হ্যাপো অ্যাপের একটি লাইভ শোতে শোয়েব বলেন, ‘সে সময় ভারত অন্য রকম ক্রিকেট খেলছিল। আমাদের বিরুদ্ধে সেটাই প্রমাণ করেছিল সৌরভের দল। ওয়ানডে ক্রিকেটে আমার দেখা ও অন্যতম সাহসী ওপেনার, যে আমাকে খেলতে কখনও সমস্যায় পড়েনি। বাঙালীরা সাহসী, মানসিকভাবে খুব শক্তিশালী হয়। যে কারণে সৌরভ এত বুদ্ধিমান। ওরা যেমন দিলখোলা, তেমনই বাহাদুর। সবাইকে আপন করে নিতে পারে। অসম্ভব বুদ্ধিমানও হয় বাঙালীরা। আমি বাঙালীদের অসম্ভব ভক্ত।’
সৌরভ গাঙ্গুলি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই ভারতের খোলনচে পাল্টে যায় বলে বিশ্বাস করেন শোয়েব। ভারতের ৪৭ বছর বয়সী সাবেক অধিনায়কের প্রশংসায় তাই পঞ্চমুখ পাকিস্তানের এই তারকা পেসার।
শোয়েব বলেন, '১৯৯৯ সালে কিন্তু আমরা ভারতের সঙ্গে অনেক ম্যাচ জিতেছি। আমি ১৯৯৯ সালে ভারত সফরে গিয়েছিলাম। চেন্নাইয়ে জিতলেও দিল্লিতে হেরেছিলাম। কিন্তু কলকাতায় আমরা আবার জিতে ওয়ানডে সিরিজটাই জিতে যাই। এরপর শারজাহতেও জিতেছিলাম। কিন্তু সৌরভ ভারতের অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে দলটা পাল্টে যেতে শুরু করে।’