promotional_ad

ধোনি এবং টিম ম্যানেজমেন্টের প্রতি অভিযোগের তীর ছুড়লেন ইরফান

ছবিঃ সংগৃহীত
promotional_ad

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||


ইরফান পাঠান। আন্তর্জাতিক ফরম্যাটে ভারতের জার্সি গায়ে সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ২০১২ সালে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কলোম্বোতে খেলা টি-টোয়েন্টিটি ছিল বাঁহাতি এই পেসারের ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এরপর চলতি বছরের শুরুতে রঞ্জি ট্রফির ঝাড়খন্ডের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেট থেকে অবসর নেন ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।


৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারটি ইরফানের থেমে গেছে ২৯ টেস্ট, ১২০ ওয়ানডে ও ২৪ টি-টোয়েন্টি খেলে। অনেকেই ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার কপিল দেবের ছায়া দেখতে পেতেন তাঁর ভেতর। এতোটা প্রতিভাবান খেলোয়াড় কিনা হারিয়ে গেলেন মাত্র ৯ বছর খেলেই। বিষয়টি অবাক লাগারই মতো। কি তাঁর পেছনের কারণ, নিজের দোষে না টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ছিটকে পড়েছেন এই পেসার?


উত্তরটা দিয়েছেন ইরফান নিজেই। জানিয়েছেন টিম ম্যানেজম্যান্টের পক্ষ থেকে কখনোই যথাযথ সমর্থন কখনও পাননি তিনি। এমনকি তিনি দাবী করছেন, ২০১২ সালে যখন তিনি বাদ পড়েন এরপর তাঁর দিকে আর মুখ তুলে তাকায়নি টিম ম্যানেজম্যান্ট।



promotional_ad

সম্প্রতি স্পোর্টস টেককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবী করেছেন সাবেক এই পেসার। তিনি মনে করেন দলের কাছ থেকে তিনি যথাযথ সমর্থন পাননি। যার জন্য তিনি আঙ্গুল তুলেন তৎকালীন অধিনায়কের ওপরও।


ইরফান বলেন, ‘কোন ওপেনারকে যখন সাত নম্বরে ব্যাটিং দেয়া হয়, তখন অবশ্যই তার পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়বে। ক্রিস গেইলের কথাই ধরুন। যদি সে সাত নম্বরে নামে, তাহলে তো ৩-৪ ম্যাচে তো ব্যাটিংই পাবে না। আবার কিছু ম্যাচে আগে আউট হয়ে যাবে, সর্বোচ্চ ৫-৬ ওভার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাবে।’


‘এসকল বিষয়ে অধিনায়ককে সবসময় সেই খেলোয়াড়ের পাশে থাকতে হয়। কারণ অধিনায়কের পরামর্শেই ওপেনারকে সাত নম্বরে নামানো হয়েছে। আমি মনে করি, এ জায়গায় আমি যথাযথ সমর্থন পাইনি। আমি আমার শেষ ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও ম্যাচসেরা ছিলাম। যারা বলছিল যে, আমি বোলিংয়ে সুইং পাইনি, তাদের জানা উচিৎ নতুন বলে নয়, আমাকে তিন নম্বরে বোলিং দেয়া হচ্ছিল।’


ইরফানের অভিযোগ করেন ২০০৮ সালেও অনৈতিকভাবে তাকে বাদ দেয়া হয়েছিল তাকে। নিজ দেশকে জেতানোর পরের ম্যাচেই বাদ পড়ার রহস্য আজও খুঁজে বেড়ান তিনি। একই সঙ্গে বাদ পড়ার পেছনে ধোনির দিকেও ইঙ্গিত করেন এই পেসার।



তিনি বলেন, ‘মাহি বলেছিল যে ২০০৮ সালের অস্ট্রেলিয়া সিরিজে আমি ভালো বোলিং করিনি। তাই আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আমি তো পুরো সিরিজেই ভালো বোলিং করেছি। এর চেয়ে বেশি কী করতে পারি?’


‘আমার মনে আছে, ২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্সের পরের ম্যাচেই আমাকে বাদ দেয়া হয়। আপনিই বলুন, নিজ দেশকে জেতানোর পরের কাকে বাদ পড়তে হয়? কোন ম্যাচ উইনারকে দলের বাইরে থাকতে হয়? আমাকে তা করতে হয়েছে।’


৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২৯ টেস্টে ১১০৫, ১২০ ওয়ানডেতে ১৫৪৪ এবং ২৪ টি-টোয়েন্টিতে ১৭২ রান করেছিলেন ইরফান পাঠান। অপরদিকে বল হাতে টেস্টে ১০০, ওয়ানডেতে ১৭৩ উইকেট এবং টি-টোয়েন্টিতে ২৮ উইকেট শিকার করেছেন এই বাঁহাতি ক্রিকেটার।



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball