উমর আকমলকে নিয়ে বোমা ফাটালেন তার সতীর্থ

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
পাকিস্তানের এক সময়ের সম্ভাবনাময় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ছিলেন জুলকারনাইন হায়দার। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার পর হঠাৎই কাউকে কিছু না বলে খেলা ছেড়ে দেন তিনি।
সেই জুলকারনাইনই এবার তাঁর সেই সময়ের সতীর্থ উমর আকমলকে নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন। কদিন আগেই ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন করে ক্রিকেট থেকে ৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন উমর।

নিষিদ্ধ হওয়া এই পাকিস্তানি ক্রিকেটারই জুলকারনাইনকে ফিক্সিংয়ের জন্য চাপ দিয়েছিলেন। সেই চাপে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন জুলকারনাইন। সে কারণেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন কাউকে কিছু না বলে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন তিনি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জুলকারনাইন বলেছেন, ‘আমার মনে পড়ে তাকে বলেছিলাম তুমি তোমার কাজ করো ও পানি টানো। কিন্তু পরে সে ও আরও কয়েকজন মিলে আমাকে ম্যাচ ছেড়ে দিতে মানসিকভাবে চাপ দেয়। পরে আমি কাউকে কিছু না বলে লন্ডনে চলে যাই।’
উমর আকমল আরও বেশ কিছু অনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ করেছেন জুলকারনাইন। উমরের শাস্তি চেয়ে তিনি বলেছেন, ‘সে কুখ্যাত সব লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার আজীবন নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্য এবং তার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা উচিৎ।’
জুলকারনাইন লম্বা সময় লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন। অথচ অভিষেক ও একমাত্র টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বার্মিহামে ২০১০ সালে এক ইনিংসে ৮৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
সেই ম্যাচে উমরের পরিবর্তেই তাঁকে দলে নেয়া হয়েছিল। ২০১১ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিকের নিশ্চয়তায় দেশে ফিরেছিলেন। তবে নতুন করে ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেননি তিনি।