2109 পঠিত

ক্রিকেট লিজেন্ডস

অ্যালান নটঃ উইকেটের পেছনের মহানায়ক

blank নাহিদ নেওয়াজ হৃদয়
২৫ নভেম্বর, ২০১৮ | আপডেট: ২৫ নভেম্বর, ২০১৮
blank নাহিদ নেওয়াজ হৃদয়
অ্যালান নটঃ উইকেটের পেছনের মহানায়ক
ছবিঃ সংগৃহীত A-A+

|| ফ্রাইডে স্পেশাল ||

অনেকের চোখেই ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা উইকেটরক্ষক হলেন অ্যালান নট। 'সর্বকালের সেরা' কিনা সেটা অবশ্য তর্কসাপেক্ষ ব্যাপার। কেননা এই প্রসঙ্গ উঠলে লেস এমিস, গডফ্রে ইভান্স, বার্ট ওল্ডফিল্ড, রডনি মার্শ, ইয়ান হিলি, ওয়াসিম বারী, ডেনিস লিন্ডসে, ডন ট্যালন, বব টেইলর, মার্ক বাউচার, জেফ্রি ডুজন, অ্যাডাম গিলক্রিস্টদের নামগুলোও এসে যায় অবধারিতভাবে। তবে ইংল্যান্ডের ইতিহাসে অবিসংবাদিত সেরা উইকেটকিপার যে তিনিই, এ নিয়ে কারও দ্বিমত থাকার কথা নয়।

জিওফ্রে বয়কটের মতে, “In the entire land (England) there was no one who came anywhere near his (Knott) perfection behind the stumps — and arguably no one in the rest of the world did so either.”

১৯৪৬ সালের ৯ এপ্রিল, ইংল্যান্ডের কেন্টে জন্মগ্রহণ করেন ২৮৫টি আন্তর্জাতিক ডিসমিসালের মালিক, সর্বকালের অন্যতম সেরা এই গ্লোভম্যান। সত্যি বলতে নটের রক্তেই মিশে ছিল উইকেটকিপিং। অ্যালানের বাবা এরিক নটও ছিলেন উইকেটরক্ষক। মাত্র চার বছর বয়সে ছেলের হাতে তুলে দিয়েছিলেন একজোড়া কিপিং গ্লাভস। বাড়ির আঙিনায় বাপ-ছেলে মিলে দিনভর চলত কিপিং অনুশীলন। অ্যালান নটের ক্রিকেটার হবার পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন যে তাঁর বাবা, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ছোটবেলায় স্কুলে পড়া অবস্থাতেই তিনি নজরে পড়ে যান ইংল্যান্ডের সাবেক কিপিং লিজেন্ড লেস এমিসের। ১২ বছর বয়সী অ্যালান নটের চমৎকার গ্লোভওয়ার্ক দেখে প্রথম দর্শনেই যারপরনাই মুগ্ধ হয়েছিলেন এমিস।

লেস এমিসের ভাষায়, “ওকে আমি প্রথম দেখি ক্যান্টারবুরি হাইস্কুলে। কিপিং করছিল। আমার স্পষ্ট মনে আছে, লেগ সাইডে অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় তিনটা স্টাম্পিং আর ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত একটা ক্যাচ লুফে নিয়েছিল সে। ওইদিনই বুঝেছিলাম, এই ছেলেই হতে চলেছে ইংল্যান্ডের ভবিষ্যৎ কিপিং লিজেন্ড।”

টেকনিক্যালি ইতিহাসের সেরা উইকেটরক্ষকদের একজন মানা হয় অ্যালান নটকে। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে তাঁর সাবলীল নড়াচড়া, স্বচ্ছন্দ উপস্থিতি সহজেই নজর কাড়ত। তাঁর ছিল অসামান্য রিফ্লেক্স, গভীর মনঃসংযোগ এবং স্ট্যামিনা। প্রেজেন্স অফ মাইন্ড ছিল অতুলনীয়, প্রতি মুহূর্তে তৎপর থাকতেন। স্টান্স, ফুটওয়ার্ক, পজিশনিং, মুভমেন্ট, কালেকশন এসবও খুব ভাল ছিল।

বোলারদের খুব ভাল ফলো করতে পারতেন; ডান বাম দুইপাশেই ঝাঁপাতে পারতেন অনায়াসে। বলের গতিপথ অ্যান্টিসিপেশন ও ভিজ্যুয়ালাইজেশনের ক্ষমতা ছিল প্রায় নিখুঁতের কাছাকাছি। বলটা শেষ মুহূর্তে কতখানি বাঁক নেবে কিংবা লাফিয়ে উঠবে সেটা ধরে ফেলতে পারতেন খুব সহজেই।

শুধু তাই নয়, মাঠে তাঁর প্রাণবন্ত ও চনমনে উপস্থিতি দলের বাকি সবার জন্য ছিল অনুপ্রেরণার উৎস। ফিটনেস ও এনার্জি লেভেল ছিল ঈর্ষণীয়; এটা-সেটা করে প্রতি মুহূর্তে দলের সবাইকে চাঙা রাখার চেষ্টা করতেন। 

অ্যালান নট সম্পর্কে উইজডেন লিখেছে, “Alan Knott was a master with the gloves - nimble, precise and smooth in everything that he did.”

বিখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক সাইমন ওয়াইল্ডের মতে, "A natural gloveman, beautifully economical in his movements and armed with tremendous powers of concentration".

উইকেটকিপিংয়ের ক্ষেত্রে নট ছিলেন একজন পারফেকশনিস্ট। নিজের পারফরম্যান্স যত ভালই হোক, কখনও তৃপ্ত হতেন না; আরও নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করতেন।

সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক কলিন কাউড্রের ভাষায়, “I think he is the most gifted and dedicated cricketer one could ever wish to play with, never satisfied with his performance and always seeking for perfection.”

রোদ থেকে বাঁচার জন্য জার্সির কলার উঁচু করে রাখাটা ছিল তাঁর ট্রেডমার্ক। জার্সি কিংবা শার্টের হাতাটাও সবসময় গুটিয়ে রাখতেন কনুই পর্যন্ত। এতে নাকি তাঁর ডাইভ দিতে সুবিধা হত। পছন্দের কিপিং গ্লাভস নির্বাচনের ব্যাপারেও তিনি ছিলেন বেশ সৌখিন।

ইংল্যান্ডের সাবেক উইকেটরক্ষক বব টেইলর একবার বলেছিলেন, “Knott preferred strong-backed gloves with full webbing and plenty of padding in the palms, wearing two pairs of Chamois inners with strips of plasticine across the palms.”

১৯৬৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে নটের টেস্ট অভিষেক। টেস্ট ক্যারিয়ারের অভিষেক ইনিংসেই আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। ওই টেস্টে তাঁর অর্জন বলতে ছিল ৭টি ডিসমিসাল। একটিও বাই রান না দিয়ে উইকেটের পেছনে নিজের জাতটা চিনিয়েছিলেন অভিষেকেই।

অ্যালান নটরা যে সময়ে খেলতেন তখন একজন উইকেটকিপারের কাজ ছিল শুধুই কিপিং করা। স্পেশালিষ্ট কিপার হিসেবে দলে সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবার আগে কিপিং স্কিলটাই প্রাধান্য পেত। ব্যাটিং নয়; বরং দুর্দান্ত কিপিংয়ের জন্যই ১৯৭০ সালে উইজডেন মনোনীত বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি!

১৯৭০-৭১ ও ১৯৭৭ সালের অ্যাশেজ জয়ের পেছনে উইকেটকিপার অ্যালান নটের অনবদ্য গ্লোভওয়ার্কের একটা বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন অনেকে। ১৯৭১ সালে 'সিরিজ নির্ধারনী' ঐতিহাসিক সিডনি টেস্টের ভাগ্য গড়ে দিয়েছিল নটের ৫টি অসাধারণ ক্যাচ ও ২টি দুর্ধর্ষ স্টাম্পিং। প্রথম ইনিংসে ডগ ওয়াল্টার্স এবং দ্বিতীয় ইনিংসে গ্রেগ চ্যাপেলকে করা স্টাম্পিং দুটোই ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট।

ওই সিরিজ সম্পর্কে ইংলিশ অধিনায়ক রে ইলিংওয়ার্থ বলেছিলেন, ”নট এতটাই নিখুঁত ও দুর্দান্ত ছিলেন যে এর চাইতে ভাল কিপিং করা বোধ হয় না সম্ভব”।

ভাবা যায়, ১৯৭৪ সালে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট জিলেট কাপে একবার পরপর দুই ম্যাচে 'ম্যাচসেরা' হয়েছিলেন শুধুমাত্র কিপিং পারফরম্যান্স দিয়ে!

সর্বকালের অন্যতম সেরা বাঁহাতি স্পিনার ডেরেক আন্ডারউডের সাথে ভয়ঙ্কর এক জুটি গড়ে তুলেছিলেন অ্যালান নট। টেস্টে সর্বমোট ১৯৮টি ডিসমিসালের অংশীদার তাঁরা দুজন। অ্যালান নটের ক্যারিয়ারের সেরা দুটো 'কিপিং মোমেন্ট'ও এসেছিল আন্ডারউডের কল্যাণেই। ১৯৭১ সালে সিডনি টেস্টে ডগ ওয়াল্টার্স এবং ১৯৭৬ সালে ওভালে লরেন্স রো'কে অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় স্টাম্পিং করেছিলেন নট; দুটোই আন্ডারউডের বলে।

অনেকেই বলতেন, অ্যালান নটের হাতে নাকি জাদু আছে! আন্ডারউডের 'বিপজ্জনক' ইনসুইঙ্গিং আর্ম বল কিংবা প্রায় ৯০ ডিগ্রি টার্ন করে বেরিয়ে যাওয়া দ্রুতগতির আউটস্পিনারগুলো সামলাতেন অবিশ্বাস্য দক্ষতায়। কোন বলটা বেশি টার্ন করবে, কোন বলটা ব্যাটের কানা ছুঁয়ে ডান কিংবা বাঁদিকে ছুটে আসবে, সেটা যেন আগেভাগেই নির্ভুল অনুমান করতে পারতেন তিনি।

তবে কিপিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংটাও ভাল জানতেন নট। ব্যাট করতেন লোয়ার মিডল অর্ডারের ৭-৮ নম্বরে। ইতিহাসের প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে পেরিয়েছিলেন টেস্টে চার হাজার রানের মাইলফলক।

নটের একটা বিশেষ ক্ষমতা ছিল, যেকোন মুহূর্তে পালটা আক্রমণ করে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারতেন। ক্লিন হিটিংয়ে তাঁর সমকক্ষ সমগ্র ব্রিটেনে আর কেউ ছিল না। মেজাজ হারাতেন না কখনও; ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে ধরে খেলার কৌশলটাও রপ্ত করেছিলেন দারুণভাবে। উইকেটের চারপাশে অনায়াসে খেলতে পারতেন চমৎকার সব স্ট্রোক। দ্রুত বলের লেংথ রিড করতে পারতেন, স্পিনের বিপক্ষে পায়ের কাজ ছিল দেখার মত। বিশেষ করে সুইপ আর স্কয়ার কাটে ছিলেন দারুণ পারদর্শী।

অ্যালান নটের ব্যাটিং সম্পর্কে উইজডেন বলছে, “His range of strokes made him an extremely dangerous counter-attacker.”

১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তাঁর স্মরণীয় ইনিংসের সংখ্যাটাও নেহায়েত কম নয়। ১৯৬৭-৬৮ সালের 'ঐতিহাসিক' ব্রিজটাউন টেস্টে অ্যালান নটের ২৬০ বলে ৭৩ রানের হার না মানা ইনিংসটি সর্বকালের সেরা 'ম্যাচ সেভিং' ইনিংসের লিস্টে ওপরের দিকেই রাখা হয়। মাত্র ৪১ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পঞ্চম দিনের ব্যাটিং দুরূহ পিচে টেইলএন্ডারদের নিয়ে 'দুঃসাহসিক' লড়াই চালিয়েছিলেন তিনি। এক পর্যায়ে ৯ উইকেট হারালেও অ্যালান নটের অবিশ্বাস্য দৃঢ়তায় নিশ্চিত পরাজয়ের হাত থেকে ম্যাচ বাঁচাতে সক্ষম হয় ইংল্যান্ড। নট সেদিন এতটাই অবিচল ছিলেন যে অফ স্পিনার ল্যান্স গিবস একাই ৬ উইকেট নিয়েও জেতাতে পারেন নি ক্যারিবীয়দের।

এছাড়াও তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারে আরও বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনিংস রয়েছে। সেগুলো হল- অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ট্রেন্টব্রিজে ১৩৫, অ্যাডিলেইডে ১০৬; ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হেডিংলিতে ১১৬, পোর্ট অব স্পেনে ৬৯*; পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচীতে ৯৬*, বার্মিংহামে ১১৬; নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অকল্যান্ডে ১০১ ও ৯৬; ভারতের বিপক্ষে বেঙ্গালুরুতে ৮১*, ফিরোজ শাহ কোটলায় ৭৫।

অ্যালান নট তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা পার করেছেন ১৯৬৭-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ১০টা বছর। ষাট ও সত্তর দশকের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়টাতে খেলেছেন টানা ৮৯টা টেস্ট; ছিলেন দলের অপরিহার্য সদস্য।

ক্যারিয়ার জুড়েই উইকেটের সামনে-পেছনে পারফর্ম করে গেছেন অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতার সাথে। কিন্তু সাবেক এই ক্রিকেট তারকার খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ পরিণতিটা মোটেই সুখকর নয়। অ্যালান নটের ক্যারিয়ারে সর্বনাশ ডেকে এনেছিল 'কেরি প্যাকার ওয়ার্ল্ড সিরিজ' এবং 'বিদ্রোহী' সাউথ আফ্রিকা সফর।

১৯৭৭ সালে 'কেরি প্যাকার' সিরিজ খেলতে গিয়ে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন ৩ বছরের জন্য। ফিরে আসার পরও ছিলেন উপেক্ষিত। এরপর ১৯৮১-৮২ সালে রেবেল ট্যুরে গিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। যার ফলশ্রুতিতে আরও একবার জুটেছিল ৩ বছরের নিষেধাজ্ঞা। এরপর আর ফিরতে পারেন নি। ফলে ৯৫ টেস্ট আর ২০ ওয়ানডেতেই থেমে যায় তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অধ্যায়।

৯৫ টেস্টে অ্যালান নট রান করেছেন ৪ হাজার ৩৮৯। সেঞ্চুরি ৬টি, ফিফটি ৩০টি। দুঃখের বিষয় যে তিনি নার্ভাস নাইন্টিজের শিকার হয়েছেন ৪ বার! উইকেটের পেছনে ক্যাচ নিয়েছেন ২৫০টি এবং সফল স্টাম্পিং করেছেন ১৯ বার।

উল্লেখ্য, অবসর গ্রহণের সময় তাঁর ২৬৯টি ডিসমিসালের রেকর্ডই ছিল টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি তাঁর ফার্স্ট ক্লাস ক্যারিয়ারটাও বেশ সমৃদ্ধ। ১৯৬৪ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত টানা ২২ বছর কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছেন কেন্টের হয়ে। ৫১১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাঁর ডিসমিসালের সংখ্যা ১৩৪৪টি! এছাড়া ব্যাট হাতে ১৭টি সেঞ্চুরি ও ৯৭টি ফিফটিসহ রান করেছেন ১৮ হাজারেরও বেশি।

২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের বিখ্যাত 'দ্য টেলিগ্রাফ' পত্রিকার এক আর্টিকেলে অ্যালান নটকে 'সর্বকালের সেরা কিপার-ব্যাটসম্যান' হিসেবে অভিহিত করেন স্বনামধন্য ক্রীড়া সাংবাদিক মাইকেল হেন্ডারসন। তিনি বলেছিলেন, “So far world cricket has been blessed with several remarkable glovemen. And amidst all the eminent men who have crouched behind the wicket, none have touched the levels of sustained brilliance as Alan Knott.”

২০০৯ সালে অ্যালান নটকে আইসিসি ক্রিকেট 'হল অব ফেমে' অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৩ সালে উইজডেন নির্বাচিত 'সর্বকালের সেরা' টেস্ট একাদশেও একমাত্র উইকেটকিপার হিসেবে নটকেই বেছে নিয়েছিলেন ক্রিকেটবোদ্ধারা৷ 

উইকেটকিপিংয়ের আদ্যোপান্ত নিয়ে 'Stumper's View' নামের চমৎকার একটি বইও লিখেছেন ইংরেজ কিংবদন্তি অ্যালান নট। সেই বই থেকে কয়েকটা লাইন হুবহু তুলে দিচ্ছি।

“What are the main essentials of wicket keeping? Really, there are two - an ability to sight the ball early and then to catch it, whether it comes from a delivery, a hit, or a throw-in.”

শেষ করব একটি ভিন্ন প্রসঙ্গ দিয়ে। টেস্টে ১ বলে ৭ রান তোলার বিরল কীর্তির অধিকারী সাবেক এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। ১৯৭৬ সালে হেডিংলি টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে 'ওভারথ্রো'র সৌজন্যে ১ বল থেকে ৭ রান পেয়েছিলেন অ্যালান নট। ডানহাতি পেসার ভ্যানবার্ন হোল্ডারের বলটা এক্সট্রা কাভারে ঠেলেই এক রানের জন্য ছুটেছিলেন দুই ব্যাটসম্যান অ্যালান নট আর টনি গ্রেগ। ফিল্ডার ছিলেন বার্নার্ড জুলিয়েন। কিপারের উদ্দেশ্যে ছোঁড়া তার বাজে ওভারথ্রোটা ডিপ স্কয়ার লেগ থেকে কুড়িয়ে আনেন অ্যান্ডি রবার্টস। দুই ব্যাটসম্যান ততক্ষণে দৌড়ে ৩ রান নিয়ে ফেলেছেন। বোলিং প্রান্ত বরাবর রবার্টসের জোরালো থ্রো। কিন্তু একি! সেটাও ছিল লক্ষ্যভ্রষ্ট! রবার্টসের দিশাহীন থ্রোটা ডিপ এক্সট্রা কভার অঞ্চল দিয়ে চলে যায় সীমানার বাইরে। ৭ রান!

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিপিএল

প্রতিশোধের মিশন মাহমুদুল্লাহদের

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||  ঢাকা পর্বে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে খুলনা টাইটান্সের ম্যাচ সুপার ওভারে গড়িয়েছিল। যদিও জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছিল চিটাগং। সিলেট পর্বে আবারও দুই দল মুখোমুখি হচ্ছে। শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক

বিস্তারিত
| Cricfrenzy
আপডট:
2 পঠিত

বিপিএল

তবুও আত্মবিশ্বাসী মাহমুদুল্লাহ

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট || বিপিএল পয়েন্ট তালিকার একদম তলানিতে অবস্থান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্সের। তারপরেও দলের পারফর্মেন্স নিয়ে আত্মবিশ্বাসী মাহমুদুল্লাহ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে হাই স্কোরিং ম্যাচে হারের মাধ্যমে ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরেছে

স্তারিত
4864 পঠিত

বিপিএল

ফর্ম নিয়ে সন্দিহান তামিম

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট || বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরের শুরু থেকেই ব্যাট হাসছিল না তামিম ইকবালের। একটি ম্যাচে ওপেনিং ছেড়ে ওয়ান ডাউনেও নেমেছিলেন। তাতেও কাজ হয়নি। কুমিল্লার প্রথম পাঁচ ম্যাচে তামিমের

স্তারিত
2 পঠিত

বিপিএল

আন্তর্জাতিক ম্যাচেও এতো ঘাবড়ে যাননি তামিম

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট || খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে ১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩ উইকেটের জয় পেয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন তামিম ইকবাল। খেলেছেন ৪২ বলে ৭৩ রানের ঝড়ো

স্তারিত
4 পঠিত

বিপিএল

তামিমের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ইমরুলের

|| ডেস্ক রিপোর্ট || ১৮১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে জেতার জন্য নিজ দলের ওপেনার তামিম ইকবালের দিকেই চেয়ে ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স দলপতি ইমরুল কায়েস। জাতীয় দলের নিজ সতীর্থের প্রতি অগাধ বিশ্বাস

স্তারিত
4866 পঠিত