promotional_ad

চার, ছক্কা, উইকেট ও মৃদু স্লেজিং

promotional_ad

'নিজের জন্য নয়, দলের জন্য খেল...' ড্রেসিং রুমের সামনে থেকে ক্রিজে থাকা মোসাদ্দেক ও ইমরুলকে তাঁতিয়ে দিতে এমন কিছুই বলছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। সুজনের কথা শুনে বাউন্ডারি লাইন থাকা সাব্বির ও আরিফুলও একই সুরে ইমরুলদ??র মৃদু স্লেজিং করে যান।


সাব্বির তো স্কোরারের ভূমিকা পালন করছিলেন। ওভার প্রতি প্রয়োজনীয় রান রেটটা মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি। নেতৃত্বে থাকা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও কম যান না। কাভার থেকে ইমরুলকে শুনিয়েই নিজেদের প্রথম ইনিংসের স্কোর স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি।


বলা যায় যে, আফগানিস্তান সিরিজের আগে বাংলাদেশ দলের স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি ম্যাচটি কেউই হালকা ভাবে নেই নি। হেড কোচ কোর্টনি ওয়ালশ পুরো ৪০ ওভার খুব মনোযোগ দিয়ে দেখলেন। আগের দিন প্রস্তুতি ম্যাচের মাধ্যমে স্ট্যান্ড বাই ক্রিকেটারদের পারফর্মেন্স দেখতে চেয়েছিলেন তিনি।


আজ স্কোয়াডের বাইরে থাকা ওপেনার ইমরুল কায়েসের ব্যাটিং দেখে সন্তুষ্ট হবেন এই ক্যারিবিয়ান, যা কিছুটা আক্ষেপ বাড়াতেই পারে। দলের তিন উইকেট পতনের পর ক্রিজে এসে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে রান বাড়াতে থাকেন ইমরুল। 


প্রায় এক বছর পর রঙ্গিন জার্সিতে দলে ফেরা মোসাদ্দেককে নিয়ে অর্ধশত ছাড়ানো পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। স্পিনারদের বিপক্ষে উইকেটের চারপাশে রান তোলেন তিনি। কিন্তু বাড়ন্ত রান রেটের চাপে শেষ পর্যন্ত ফিরতে হয় তাকে। আফগানিস্তান সিরিজের স্কোয়াডে না থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে ইমরুলকে নিয়ে আলাদা করে ভাববে নির্বাচকরা।



promotional_ad

ওপেনিং পজিশনের আরেক প্রার্থী সৌম্য সরকার সর্বশেষ নিদাহাস ট্রফিতে খুব একটা ভালো করেনি। আজকের প্রস্তুতি ম্যাচটিতে বড় কিছু করার সুযোগ ছিল। তামিম-রিয়াদদের দেয়া ১৯৬ রানের পুঁজি তাড়া করতে সৌম্যর বড় ইনিংস বাকিদের কাজ সহজ করে দিত। 


কিন্তু অফ স্ট্যাম্পের অনেকটা বাইরে শফিউলের নিরীহ বলটি কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে সাব্বিরকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। এর আগে সেই শফিউলের বলেই শর্ট থার্ড ম্যানে ক্যাচ আউট হতে পারতেন তিনি, রুবেলের ভুলে সেই যাত্রায় রক্ষা হয় সৌম্য সরকারের। দারুন শুরু করেছিলেন আরেক ওপেনার বিজয়ও। 


আবু হায়দার রনির এক ওভারে ২০ রান নিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। কিন্তু রুবেলের লেন্থ থেকে লাফিয়ে ওঠা বলে লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন তিনিও। তবে তামিম ইকবালের সাথে ওপেন করতে নামা লিটন দাসের ১৪৫ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপ ছিল চোখ জুড়ানো।


কোন রকম ঝুঁকি না নিয়েই ওভার প্রতি ১০ রান করে নিয়েছে এই জুটি। স্পিনের বিপক্ষে পায়ের কাজে বেশ কয়েকবার বাউন্ডারি ছাড়া করেছেন তামিম-লিটন। আবুল হাসান রাজু সহ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএল খেলা মুস্তাফিজের বোলিংয়ে সমান তালে রান তুলেছেন এই দুই ওপেনার। 


ধরে নেয়া যায়, নিদাহাস ট্রফিতে ওপেনিংয়ে রান পাওয়া ইনফর্ম লিটনকেই দেরাদুনে আফগানদের বিপক্ষেও তামিমের সঙ্গী হিসেবে দেখা যাবে। সেক্ষেত্রে সৌম্য সরকারের ব্যাটিং পজিশন লেফট রাইট কম্বিনেশনে উপর নির্ভর করবে। 



এছার বাকি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রান পেয়েছে সাব্বির রহমান। রিয়াদ ও মুশফিকরা বেশীক্ষণ টিকতে ব্যর্থ হলেও শেষের দিকে সাব্বির রহমান দ্রুত রান তুলতে সক্ষম হয়েছেন। আরিফুলকেও ব্যাট হাতে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। 


তবে বোলারদের দিনটা ভালো যায় নি। বিশেষ করে পেসারদের মধ্যে একমাত্র রুবেল হোসেন বাকিদের বোলিং ছিল গড়পড়তা। মুস্তাফিজুর রহমান, আবু জায়েদ রাহি ও আবু হায়দার রনি খরুচে বোলিং করেছেন। পার্টটাইমার হিসেবে ভালো করেছে আরিফুল। সব মিলিয়ে বলা যায়, আফগানিস্তান সিরিজে কিছু প্রশ্নবোধক চিহ্ন নিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ দল।



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball