promotional_ad

গুসের লড়াই ম্লান করে সাউথ আফ্রিকার জয়

promotional_ad

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||


শায়ান জাহাঙ্গীর যখন তাবরাইজ শামসির বলের লাইন মিস করে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে ফিরলেন ম্যাচ জিততে তখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন ৫৩ বলে ১১৯ রান। এমন সময় আন্দ্রেস গুসের সঙ্গে জুটি বাঁধেন হারমীত সিং। তাদের দুজনের ব্যাটেই এগোতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। একেবারে শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক ছিলেন হারমীত। তার সঙ্গে থাকা গুসও ক্রমশই দ্রুত রান তোলায় মনোযোগ দেন। শুরুতে খানিকটা দেখে শুনে খেললেও পরের দিকে দ্রুত রান তুলে ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন গুস।


দলের বিপর্যয়ের মুখে শামসির ঝুলিয়ে দেয়া ডেলিভারিতে ছক্কা মেরেছেন জুটির পঞ্চাশ করেছেন হারমীত। ম্যাচ জিততে যখন শেষ ৪ ওভারে যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ রান প্রয়োজন তখন বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকদের রান আটকে দেন কাগিসো রাবাদা। পরের ওভারে অবশ্য শামসির উপর তাণ্ডব চালিয়েছেন গুস ও হারমীত। তিন ছক্কায় সেই ওভার থেকে তারা দুজনে এনেছেন ২২ রান। ততক্ষণে সমীকরণ আরও খানিকটা সহজ হয়ে আসে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য। শেষ দুই ওভারে ২৮ রান করতে পারলেই ইতিহাসের পাতায় আরও একটা জয়ের অনুচ্ছেদ লিখতে পারত তারা।



promotional_ad

সেটা অবশ্য হতে দেননি রাবাদা ও অ্যানরিখ নরকিয়া। ১৯তম ওভারে এসে ২২ বলে ৩৮ রান করা হারমীতকে নিজের শিকার বানিয়েছেন রাবাদা। ডানহাতি এই পেসারের স্লোয়ার ফুলটসে ফ্লিক করে মারতে গিয়ে সীমানার কাছে থাকা ট্রিস্টিয়ান স্টাবসকে ক্যাচ দিয়েছেন। সেই ওভারে এক উইকেট নেয়ার সঙ্গে রাবাদা খরচা করেছেন মাত্র ২ রান। তাতে শেষ ওভারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন ছিল ২৬ রান। নরকিয়া ৭ রান দিলে সাউথ আফ্রিকা ম্যাচ জিতে নেয় ১৮ রানে। যুক্তরাষ্ট্রকে জয়ের আশা দেখানো গুস অপরাজিত ছিলেন ৮০ রানের ইনিংস খেলে।


অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৯৪ রান তাড়ায় মার্কো জেনসেনের অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে চার মেরে রানের খাতা খোলেন স্টিভেন টেলর। পরের ওভারে এইডেন মার্করামকেও মেরেছেন একটি করে চার ও ছক্কা। নিজের দ্বিতীয় ওভারে জেনসেন হজম করেছেন আরও দুটি চার। তবে টেলরের ঝড় থামিয়েছেন রাবাদা। ডানহাতি এই পেসারের শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে আড়াআড়িভাবে খেলতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিয়েছেন টেলর। বাঁহাতি ওপেনারকে ফিরতে হয় ১৪ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে।


পাওয়ার-প্লেতে ভালো শুরু পেলেও আরও এক উইকেট হারাতে হয় যুক্তরাষ্ট্রকে। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে রাবাদার লেগ স্টাম্পে করা ডেলিভারিতে ফ্লিক করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে থাকা স্টাবসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ৮ রান করা নীতিশ কুমার। পাওয়ার-প্লেতে ২ উইকেট হারানো যুক্তরাষ্ট্র রান তুলেছে ৫৩। সপ্তম ওভারে এসে অ্যারন জোনসের উইকেটও হারায় তারা। চারে নামা এই ব্যাটার ফিরেছেন কেশভ মহারাজের বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডি কককে ক্যাচ দিয়ে।



থিতু হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কোরি অ্যান্ডারসন। নরকিয়ার বলে ছক্কা মারার পরের বলে অ্যান্ডারসন সাজঘরের পথে হেঁটেছেন বোল্ড হয়ে। এরপর জাহাঙ্গীর ফিরে গেলে ৭৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে ৯১ রানের জুটি গড়লেও দলকে জেতাতে পারেননি গুস ও হারমীত। যুক্তরাষ্ট্রকে থামতে হয় ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে তুলে। সাউথ আফ্রিকার হয়ে ১৮ রানে ৩ উইকেট পেয়েছেন রাবাদা।


এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে রিজা হেনড্রিক্সের উইকেট হারালেও এক পাশে তাণ্ডব চালাতে থাকেন ডি কক। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিতে থাকেন এইডেন মার্করাম। গ্রুপ পর্বে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে না পারা ডি কক খেলেছেন ৪০ বলে ৭৪ রানের ইনিংস। অধিনায়ক মার্করামের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৬ রান। শেষদিকে হেনরিখ ক্লাসেনের অপরাজিত ৩৬ এবং স্টাবসের অপরাজিত ২০ রানের সুবাদে ১৯৪ রানের পুঁজি পায় সাউথ আফ্রিকা। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সৌরভ নেত্রাভালকার ও হারমীত নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball