সাকিবের হয়ে ব্যাট ধরলেন সাকলাইন মুশতাক

ছবি: ছবিঃ বিসিবি

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
জুয়াড়ির প্রস্তাব পেয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) না জানানোয় দুই বছরের নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। এমন সময়ে বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের পাশে দাঁড়িয়েছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি স্পিনার সাকলাইন মুশতাক।
আইসিসি এবং বিসিবি কাছে তথ্য গোপন করলেও ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে জড়িত নন সাকিব, এ কারণে তাঁকে অনুপ্রাণিত করতে পারতো আইসিসি। এমনটা মনে করেন মুশতাক।
পাকিস্তানের সাবেক এই অফ স্পিনার বলেন, ‘এমন ঘটনা এবারই প্রথমবারের মতো উদাহরণ হিসেবে এসেছে। সাকিব ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে যুক্ত নয়। এবার তাকে ছেড়ে দেয়া যেত বা কম শাস্তি দেয়া যেত। ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় তাঁকে অনুপ্রাণিত করতে পারতো আইসিসি।’
‘তাকে লম্বা শাস্তি দেয়া উচিত হয়নি। এতে বাংলাদেশের খুব ক্ষতি হলো। সাকিবের অনেক বড় ক্ষতি হলো। সাকিব অনেক বড় ভুল করেননি, তাকে মাফ করাই যায়। সাকিবকে লঘু দণ্ড দিয়ে আইসিসি এই ব্যাপারে নতুন নিয়ম বানাতে পারতো।’
চার মাসের মধ্যে তিনবার সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ভারতীয় জুয়াড়ি দীপক আগারওয়াল। এই সময়ে আইসিসির নজরদারি কোথায় ছিল, এমন প্রশ্নও তুলেছেন সাকলাইন।
৪২ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার আরও বলেন, ‘সাকিবকে দেড় বছরের আগে তিন বার ম্যাচ পাতানোর জন্য জুয়াড়িরা প্রস্তাব দেয়। এ সময় আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগ কোথায় ছিল? আইসিসি তখন কী করছিল? সাকিব ঘটনাটি বিসিবি বা আইসিসিকে জানায়নি। ধরলাম সে বিসিবিকে বলেছে, তাহলে বিসিবি কেন আইসিসিকে জানায়নি?’
‘এবার ধরি সাকিব বিসিবিকে বলেনি। তাহলে এখানে একটা বিষয় বিসিবি বা আইসিসির বিবেচনা করা উচিত যে, সাকিব ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আমলে নেয়নি। এটা বিশেষভাবে দেখতে হবে। সে যদি প্রস্তাবে সায় দিতো, তাহলে ঘটনা ভিন্ন। কিন্তু সে তো এমন প্রস্তাব গ্রহণই করেনি।’
