স্পন্সর নিয়ে নতুন করে ভাবছে বিসিবি

ছবি: ছবিঃ ক্রিকফ্রেঞ্জি

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে চুক্তি মেয়াদ পূর্তির প্রায় এক বছর আগেই স্পন্সরশিপ বাতিল করেছে রবি। মূলত জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগতভাবে অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ থাকার কারণে বিসিবির সাথে চুক্তি বাতিল করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ দলের প্রধান স্পন্সর হঠাৎ করে সড়ে দাঁড়ানোয় কিছুটা বিপাকেই পড়েছে বিসিবি। স্পন্সর নিয়ে নতুন করে ভাবছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নতুন প্রতিষ্ঠানের সাথে বিসিবির চুক্তি স্বল্প সময় অথবা লম্বা সময়ের জন্য হতে পারে বলে ধারণা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
"নতুন স্পন্সর আমরা যেটা মনে করি অপশন দুইটা। এখনি কাউকে লং টার্ম দিয়ে দেয়া, আর আরেকটা হলো যেহেতু আর কয়েকটা মাস, চার মাসের মত আছে সিরিজ সিরিজ বেসিসে করে জানুয়ারি থেকে আমরা লং টার্মে যাব। তখন কেইস টু কেইস হবে নতুন চারমাসের জন্যও হতে পারে। দেখি... আমার ধারণা ভাল কিছুই পাব।"

এদিকে, বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন, তারা যখন রবির টেন্ডার আবেদন গ্রহণ করে, তখন এমন কোনো শর্ত ছিল না। তবে রবির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের সাথে ক্রিকেটারদের চুক্তিবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক বলেই মনে করেন নাজমুল হাসান।
"ওদের সংগে আমাদের যে মিটিং হয়েছিল... না এখানে দুটো ব্যাপার আছে। অরিজিনাল যখন টেন্ডার করি সেখানে এই ধারাটা ছিল না। এই সমস্যা সব সময় ছিল। হয়কি এত টাকা দিয়ে বোর্ড চুক্তি করল একটা কোম্পানির সংগে প্লেয়াররা যদি এক/দেড় কোটি নিয়ে অন্য ব্রান্ডে করে তাহলে ওরা তো পাচ্ছে না। তাহলে স্পন্সর দিয়ে ওদের লাভ কি হল। এটা সাধারণত সারা বিশ্বেই আছে। কম্পিটিটরের সঙ্গে চুক্তি করা যায় না। এটা দুঃখজনক।"
বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি দলপতি সাকিব আল হাসান ও ওপেনার তামিম ইকবাল ব্যক্তিগতভাবে রবির প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগেই মাশরাফি-তামিমরা বিসিবিকে লিখিত ভাবে জানিয়েছিলেন তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে চুক্তি বাতিল করেছেন। ক্রিকেটাররা তাদের চুক্তি বাতিলের পরও রবির চলে যাওয়া বিসিবির কাছে বড় বিস্ময়।
"রবি বলার পর কিন্তু প্লেয়ারদের চুক্তি বাতিল করিয়েছিল তারপরও ওরা চলে যাবে। এটা আমরা ভাবিনি। হ্যাঁ ওরা চুক্তিতে আসার পরও ছিল। যা ছিল আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজে আসার আগ মুহুর্তে মাশরাফি ও তামিম ওরাও সই করে দিয়েছে, বাতিল করে দিয়েছি। তারপরও তারা চলে যাবে আশা করিনি। কিন্তু যেকোন চুক্তিই বাতিলের ধারা থাকে।"