নেট বোলার থেকে বিপিএলের মঞ্চে

ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন ঢাকা ডায়নামাইটসের স্পিনার আলিস আল ইসলাম। তাঁর বেড়ে ওঠা ঢাকার সাভারের বালিয়ারপুরে। ম্যাচের আগের দিনই কোচ খালেদ মাহমুদের বরাতে মাঠে নামার খবর পান।
ম্যাচের আগে সুনীল নারিনের কাছ থেকে টি-টুয়েন্টি অভিষেকের টুপি পেয়েছেন। তবে ম্যাচের শুরুতে তিনি হয়ে গিয়েছিলেন খল নায়ক। শুভাগত হোমের বলে মোহাম্মদ মিঠুনের দুটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেছিলেন তিনি।
নায়ক হতেও বেশি সময় নেননি। নিজের প্রথম ওভারে দিয়েছিলেন মাত্র ৭ রান। ১৬তম ওভারে আবার এসে তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে। স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে রংপুরের সর্বাধিক রান সংগ্রাহক রাইলি রুশোকে (৮৩) সাজঘরে ফেরান।

এরপর, ১৮তম ওভারে বল করতে এসে ম্যাচের সব নজর নিজের দিকে নিয়ে নেন তিনি। এই ওভারে হ্যাটট্রিক অর্জন করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এই তরুণ। টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটেই এই ম্যাচের আগে কোনো বোলার অভিষেকে হ্যাট্রিক করতে পারেননি।
আজ তা করে দেখিয়েছেন আলিস। আজ রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে নিজের তৃতীয় ও ইনিংসে ১৮তম ওভারের শেষ তিন বলে মোহাম্মদ মিঠুন, মাশরাফি বিন মুর্তজা ও ফরহাদ রেজাকে তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন ২৩ বছর বয়সী এই অফ স্পিনার।
ঢাকার প্রিমিয়ার লিগেই খেলেননি আজ অভিষিক্ত আলিস। ঢাকার প্রথম বিভাগের ক্রিকেটে অবশ্য খেলেছেন। ঢাকা ডায়নামাইটসের নেট বোলার ছিলেন। সেখান থেকেই নজরে আসেন ডায়নামাইটস কোচ খালেদ মাহমুদের। প্লেয়ার্স ড্রাফটের সপ্তাহ দুয়েক আগেই তাকে দলে নেয় ডায়নামাইটস।
এরপর স্বপ্নের অভিষেক হল তাঁর। চাঁদের কলঙ্কের মতো আলিসের গায়ে লেগে আছে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দাগ। প্রথম বিভাগ ক্রিকেটে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। যদিও অ্যাকশন শুধরেই বিপিএলের মঞ্চে এই স্পিনার।