এনসিএলে স্পোর্টিং উইকেট হবে, প্রতিশ্রুতি আকরামের

এনসিএলে স্পোর্টিং উইকেট হবে, প্রতিশ্রুতি আকরামের

আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ১৯তম জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) আসর। আর ওয়ালটন আয়োজিত দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের জনপ্রিয় এই টুর্নামেন্টের উইকেট নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদের মাঝে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিএলে আন্তর্জাতিক মানের উইকেট তৈরি করার কথা নিজেই জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান। উইকেট প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য,

‘আমরা এবার উইকেট নিয়ে অনেক গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করেছি। যে কারণে ঢাকার বাইরে খেলা রেখেছি। কারণ টেস্টের জন্য ভালো উইকেট তৈরি করতে হলে উইকেট বিশ্রামে রাখতে হয়। ঢাকাতে সেটি সম্ভব নয়।’

এনসিএল মাঠে গড়ানোর এক মাস আগেই কিউরেটরদের উইকেট কেমন হবে সেই সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে বিসিবি বলেও জানান আকরাম। আকরাম খানের তথ্যমতে বিসিবি চাইছে আদর্শ স্পোর্টিং উইকেটই গড়ে তুলতে।

‘আমরা একমাস আগেই কিউরেটরদের ডেকে কেমন উইকেট হবে তা বলে দিয়েছি। আমরা চাই স্পোর্টিং উইকেট হোক। যেন বোলার-ব্যাটসম্যান সবাই সুবিধা পায়’, বলছিলেন টাইগারদের সাবেক এই অধিনায়ক।

এবারের এনসিএল অনুষ্ঠিত হবে ৫টি ভেন্যুতে। সেই ভেন্যুগুলো হলো খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাজশাহী। ভেন্যুর পাশাপাশি এবার বাড়ানো হচ্ছে এনসিএলের ম্যাচ ফি এবং দৈনিক ভাতার পরিমাণও বলে নিশ্চিত করলেন আকরাম খান। তাঁর ভাষ্যমতে।

এবারের এনসিএল অনুষ্ঠিত হবে মোট পাঁচটি ভেন্যুতে। ভেন্যুগুলো হলো খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাজশাহী। ভেন্যুর পাশাপাশি এবারের আসরে ম্যাচ ফি এবং ভাতার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলে জানালেন আকরাম খান। তাঁর ভাষ্যমতে,

‘১৫ই সেপ্টেম্বর থেকে দেশের ৫টি ভেন্যুতে এনসিএল মাঠে গড়াবে। দুই টায়ারে মোট ৮টি দল অংশ নিবে এই টুর্নামেন্টে। এবার ভেন্যুগুলো হচ্ছে খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাজশাহী। এ আসর থেকে বাড়ানো হয়েছে এনসিএলের ম্যাচ ফি ও দৈনিক ভাতার পরিমাণও।’

ঘরোয়া ক্রিকেটে উইকেট নিয়ে এবার আলাদা গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সদ্য শেষ হওয়া অস্ট্রেলিয়া সিরিজ চলার সময় দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও ঘরোয়া ক্রিকেটের উইকেটের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে কথা বলেছেন।

এনসিএলের প্রতিযোগিতা আরো বৃদ্ধি করতে দুই স্তরে এনসিএল আয়োজন করে বিসিবি। তবে এরপরেও সেভাবে প্রতিযোগিতা খুব একটা বাড়েনি বলে আফসোস করলেন আকরাম। তিনি বলেন,

‘আমরা ভেবেছিলাম টায়ার পদ্ধতিতে এনসিএল আয়োজন করলে ভালো করতে দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে। ক্রিকেটারদের মধ্যেও ভালো করার প্রবণতা থাকবে। কিন্তু হতাশ হচ্ছি এখনো সেটি হয়নি। আমি বলব আরো কিছু দিন হয়তো সময় লাগবে।’

Posts Carousel

এই মাত্র

সর্বাধিক মন্তব্য

ভিডিও